Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: একটি রেডিট পোস্ট ঘিরে তীব্র বিতর্ক (Toxic Corporate Culture), ভারতের কর্পোরেট সংস্কৃতিতে সহমর্মিতা ও মানবিকতার অভাব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে ধরেছে। পোস্টে এক বেসরকারি বড় ব্যাংকের কর্মপরিবেশ নিয়ে উদ্বেগজনক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
পোস্টদাতার দাবি (Toxic Corporate Culture)
পোস্টদাতার দাবি, ওই ব্যাঙ্কের এক সিনিয়র মহিলা (Toxic Corporate Culture) কর্মী তাঁর মায়ের গুরুতর অসুস্থতার কারণে কয়েক দিনের ছুটি চেয়েছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওষুধ সংক্রান্ত ত্রুটির জেরে তাঁর মায়ের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পোস্টে বলা হয়েছে, ওই মহিলা কোনও বিশেষ সুবিধা চাননি, শুধুমাত্র পারিবারিক জরুরি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য কিছুটা সময় চেয়েছিলেন।
নির্মম ও সংবেদনহীন মন্তব্য (Toxic Corporate Culture)
কিন্তু এরপর যা ঘটে, তা রীতিমতো চমকে দেয় (Toxic Corporate Culture) নেটিজেনদের। অভিযোগ, ওই কর্মীর ম্যানেজার অত্যন্ত নির্মম ও সংবেদনহীন মন্তব্য করেন। তিনি নাকি বলেন, যদি তাঁর মা সুস্থ না হন, তাহলে তাঁকে কোনও মেডিক্যাল হোম বা আশ্রয়কেন্দ্রে রেখে অফিসে আসতে হবে। এই মন্তব্য কার্যত ওই কর্মীকে চাকরি ও অসুস্থ মায়ের দেখভালের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করে।
আরও পড়ুন: Kolkata Air Pollution: শহরে শীতের দাপট, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দূষণ!
চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়
পরিস্থিতি এতটাই চাপে ফেলে যে শেষ পর্যন্ত ওই মহিলা মায়ের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। কিছুদিনের মধ্যেই তাঁকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। উল্লেখযোগ্যভাবে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই প্রতিষ্ঠানে কাজ করছিলেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভের ঝড়
এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভের ঝড় ওঠে। বহু ব্যবহারকারী ম্যানেজমেন্টের আচরণকে অমানবিক বলে কটাক্ষ করেন। কেউ কেউ পরামর্শ দেন, এমন পরিস্থিতিতে লিখিত নির্দেশ চাওয়া উচিত, আবার অনেকে কর্মীদের অধিক সুরক্ষার জন্য কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি তোলেন। ধীরে ধীরে আলোচনা বিস্তৃত হয়ে কর্পোরেট দুনিয়ায় কাজের চাপ, নিষ্ঠুর সময়সীমা এবং ব্যক্তিগত সংকটে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির অভাব নিয়ে বৃহত্তর বিতর্কে রূপ নেয়।


