Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে (US-CHINA) বাণিজ্যিক উত্তেজনা কমাতে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প-শি বৈঠকের অংশ হিসেবে চীন বিরল ধাতুর রপ্তানিতে আর কোনো নিয়ন্ত্রণ রাখবে না এবং মার্কিন চিপ কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে চলতে থাকা তদন্ত কার্যত বন্ধ করবে।
চীন বিরল মাটি ধাতু (US-CHINA)
হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “চীন বিরল মাটি ধাতু বা ‘রেয়ার আর্থ’ রপ্তানিতে (US-CHINA) কার্যত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে। একই সঙ্গে চিপ নির্মাতা সংস্থাগুলোর ওপর আরোপিত প্রশাসনিক তদন্তও বাতিল হবে।” এই পদক্ষেপকে ট্রাম্প প্রশাসন “একটি ঐতিহাসিক সাফল্য” বলে উল্লেখ করেছে। এর পরিবর্তে চিনা সামগ্রীর উপর চাপানো শুল্কের ১০ শতাংশ কমানোর সিদাধান্ত নিয়েছে হোয়াইট হাউস। ১০ নভেম্বর থেকে এই শুল্ক কমানোর বিষয়টি লাগু হবে। হোয়াইট হাউস আরও জানিয়েছে শুল্ক বাড়ানোর বিষয়টি আরও একবছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা (US-CHINA)
বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগত (US-CHINA) প্রতিযোগিতার এক নতুন ভারসাম্য তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘রেয়ার আর্থ’ সরবরাহকারী দেশ, যা আধুনিক ইলেকট্রনিক্স, গাড়ি এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরিতে অপরিহার্য উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
টানাপোড়েন দীর্ঘদিনের
চিপ শিল্পে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ও চীনের উৎপাদন সক্ষমতার মধ্যে টানাপোড়েন দীর্ঘদিনের। বেইজিং সরকারের এই নতুন অবস্থান ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে এক বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। হোয়াইট হাউস আরও জানায়, দুই দেশ যৌথভাবে প্রযুক্তি বিনিময়, সাপ্লাই চেইন স্থিতিশীলতা এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়েও আলোচনায় সম্মত হয়েছে। এই পদক্ষেপ আগামী মাসে ওয়াশিংটনে নির্ধারিত ট্রাম্প-শি দ্বিতীয় রাউন্ড বৈঠকের পথ সুগম করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন: FBI: এফবিআই-এর শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত, জেট বিতর্কে কাশ প্যাটেলকে ঘিরে তীব্র সমালোচনা
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববাজারে চিপ সরবরাহ এবং প্রযুক্তি উপাদান আমদানি খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে এটি ইতিমধ্যেই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে


