Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আগামী রবিবার ফের যান চলাচলে বড়সড় (Vidyasagar Setu) নিয়ন্ত্রণ আসছে বিদ্যাসাগর সেতুতে। প্রায় ১৬ ঘণ্টা ধরে বন্ধ থাকবে সেতু পারাপার। কলকাতা পুলিশ ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। শহর ও উপশহরের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সংযোগ সেতুটি এখন ধাপে ধাপে মেরামতি ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজের মধ্যে রয়েছে।
আগস্ট মাস থেকে সেতু বন্ধ (Vidyasagar Setu)
প্রায় প্রতি সপ্তাহান্তেই আগস্ট মাস থেকে এমনভাবে সেতু (Vidyasagar Setu) বন্ধ রাখা হচ্ছে। কারণ সপ্তাহের কর্মদিবসগুলোয় সেতু দিয়ে যাতায়াতের চাপ থাকে প্রায় এক লক্ষেরও বেশি গাড়ির। সেই ভিড় এড়াতেই সপ্তাহান্ত বেছে নেওয়া হয়েছে কেবল পরিবর্তন ও অন্যান্য সংস্কারের জন্য। অনেক সময় শুধুমাত্র রবিবারই বন্ধ থাকে সেতু, আবার কখনও শনিবার ও রবিবার মিলিয়ে টানা ১৬ থেকে ১৭ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। কলকাতা ও হাওড়া পুলিশ প্রতিবারই বিকল্প রুট নির্ধারণ করে দিচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ বেশি সমস্যায় না পড়েন।
প্রকল্পে ব্যয় (Vidyasagar Setu)
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী (Vidyasagar Setu) নরসিংহ রাও এবং মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর হাতে উদ্বোধন হয়েছিল এই দ্বিতীয় হুগলি সেতুর। উদ্বোধনের পর থেকে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ হলেও, কখনও ঝুলন্ত কেবলগুলি বদলানো হয়নি। এবারই প্রথম এই বিশাল প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। মোট ১৫২টি কেবলের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ১৯টি বদলানোর কাজ চলছে। প্রতিটি কেবল পরিবর্তনে সময় লাগছে প্রায় এক মাস। লক্ষ্য রাখা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩১ মে’র মধ্যে প্রথম পর্বের কাজ সম্পন্ন করা হবে। প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা।

২৫ বছরেরও বেশি
সেতুর বয়স এখন ২৫ বছরেরও বেশি। সম্প্রতি বিদেশে বিদ্যাসাগর সেতুর মতো একটি সেতু ভেঙে পড়ার পর থেকেই প্রশাসন সতর্ক হয়। হুগলি রিভার ব্রিজ কমিশনার্স (এইচআরবিসি) সেই ঘটনার পর সেতুর কেবল ও কাঠামো পরীক্ষা শুরু করে। পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কেবল পরিবর্তনের।
আরও পড়ুন: Mukul Roy : মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ কলকাতা হাইকোর্টের
বর্তমানে কলকাতার একটি সংস্থা ও ফ্রান্সের এক প্রকৌশল সংস্থা যৌথভাবে কাজটি করছে। ফরাসি সংস্থার সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা ও স্পেনের বিশেষজ্ঞরাও যুক্ত রয়েছেন। বিদেশ থেকে আনা হয়েছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও নির্মাণ সামগ্রী। ইতিমধ্যেই ১৬টি হোল্ডিং কেবলের মেরামতির কাজ শেষ, তাতে খরচ হয়েছে প্রায় ৯০ কোটি টাকা।


