Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর সংশোধনী (Voter List) প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দপ্তরের আবেদনের পর কমিশন জানায় খসড়া ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা যাবে।
মাসিক বেতন (Voter List)
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে মাইক্রো অবজারভারদের মাসিক বেতন হবে ৩০ হাজার (Voter List) টাকা। তবে রাজ্যে মোট কতজন মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা হবে সে বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট সংখ্যা জানায়নি কমিশন। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং কোন বিধানসভা কেন্দ্রে তাঁদের মোতায়েন করা হবে এই সমস্ত বিষয় রাজ্যের CEO দপ্তরই দেখভাল করবে।

কারা থাকবেন দায়িত্বে? (Voter List)
নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করেছে কেবলমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের (Voter List) গ্রুপ বি বা তার ঊর্ধ্বতন স্তরের আধিকারিকদেরই মাইক্রো অবজারভার হিসেবে নিয়োগ করা যাবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও এই দায়িত্বে থাকতে পারবেন। ডেপুটেশনে থাকাকালীন মাইক্রো অবজারভারদের নিয়মিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে রাজ্যের CEO র কাছে।
মাইক্রো অবজারভারদের দায়িত্ব কী কী?
খসড়া ভোটার তালিকা সংশোধন ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের প্রতিটি ধাপেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন মাইক্রো অবজারভাররা। ডিজিটাইজেশনের সময় BLOদের আপলোড করা ফর্মের তথ্য যাচাই জন্ম মৃত্যু রেজিস্টারের সঙ্গে ভোটার তালিকার তথ্য মিলিয়ে দেখা ERO ও AERO দের জারি করা হিয়ারিং নোটিস সংক্রান্ত নথি পরীক্ষা সবই থাকবে তাঁদের কাজের আওতায়।
আরও পড়ুন: Bangladesh Unrest: বাংলাদেশে গুলিতে খুন সাংবাদিক, চতুর্থ স্তম্ভে আগুন!
এছাড়াও ভোটারদের দাবি ও আপত্তির নথিপত্র খতিয়ে দেখা শুনানির সময় গোটা প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ খসড়া তালিকা সংশোধন ও চূড়ান্ত করার সময়ে কোনও অসঙ্গতি থাকলে তা পরীক্ষা করাও তাঁদের দায়িত্বের মধ্যে পড়বে। পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণে স্পেশাল রোল অবজারভার ও ইলেক্টোরাল রোল অবজারভারদের সহায়তা করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেবেন তারা।এই দায়িত্ব পালনের সময় মাইক্রো অবজারভাররা যে যে দপ্তরে কর্মরত সেখানে তাঁদের অনুপস্থিতি On Duty হিসেবেই গণ্য করা হবে।


