Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: টানা বৃষ্টিতে হাঁসফাঁস পরিস্থিতি (Weather Update) দক্ষিণবঙ্গে। ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে বৃষ্টির যে দফায় দফায় আগমন, তাতে জনজীবন যেমন ব্যাহত হয়েছে, তেমনই প্রশ্ন উঠেছে-এই বর্ষা আদৌ বিদায় নেবে তো? অবশেষে আশার আলো দেখাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
বর্ষা বিদায় (Weather Update)
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন (Weather Update) দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা বিদায় নিতে শুরু করতে পারে। রবিবার থেকে বৃষ্টিপাত কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তার আগে আজ শুক্রবার ও আগামীকাল শনিবার দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় (Weather Update)
বর্তমানে দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে-একটি দক্ষিণ বাংলাদেশের (Weather Update) উপর, অপরটি উত্তর ওড়িশার দিকে। এই দুটি ঘূর্ণাবর্তের সম্মিলিত প্রভাবেই দক্ষিণবঙ্গে বজায় রয়েছে বৃষ্টির পরিস্থিতি। আজ, শুক্রবার কলকাতা সহ আশেপাশের জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।
আজকের আবহাওয়া
আজকের আবহাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতার আকাশ থাকবে আংশিক মেঘলা। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে আনুমানিক ৩১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৯৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৭৬ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

বৃষ্টির সম্ভাবনা
আজ বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদীয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে। দমকা হাওয়া বইতে পারে, বিশেষ করে দুপুর ও বিকেলের দিকে। শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে মূলত উপকূলবর্তী জেলা-উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। তবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই দক্ষিণবঙ্গে, যা খানিক স্বস্তির ইঙ্গিত দেয়।
উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি কার্যত নেই বললেই চলে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, ওই অঞ্চলের আকাশ থাকবে মূলত আংশিক মেঘলা। কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হতে পারে, তবে কোনও জেলাতেই এখন আর বজ্রবিদ্যুৎ বা ভারী বৃষ্টির সতর্কতা নেই।
এতদিনের টানা ভিজে ভিজে থাকা আবহাওয়ার পর, আবহাওয়া ধীরে ধীরে শুষ্ক হওয়ার দিকে এগোচ্ছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণও কমছে। ফলে আশঙ্কা নয়, আগামী সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে সূর্যের দেখা মিলবে আরও বেশি, এবং ধীরে ধীরে ফিরে আসবে স্বাভাবিক ছন্দ।


