Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করলে নির্বাসন থেকে নিষেধাজ্ঞা, কী কী শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে পাকিস্তানকে (World Cup)?
শাস্তির মুখে পাকিস্তান? (World Cup)
আইসিসি বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচার করেছে বলে দাবি করা হয়েছে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে। তার প্রতিবাদে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের পথেও হাঁটতে পারে পাকিস্তান। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে তারা সেটা মানবে এবং সেই মতো নিজেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। অর্থাৎ বাংলাদেশের পর একই পথে হাঁটতে পারে পাকিস্তান। হুঁশিয়ারি দিলেও তারা এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি। এমন কি বিশ্বকাপের দলও ঘোষণা করে দিয়েছে তারা। এই টালবাহানার পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যার মধ্যে অন্যতম হলো আর্থিক জরিমানা। তাছাড়াও আরও কিছু শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে পাকিস্তানকে (World Cup)।
বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন ভাবে ‘নাটক’ শুরু করেছে পাকিস্তান। তারা বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েই যাচ্ছে। আবার একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী পুরো বিশ্বকাপ বয়কট না করলেও ভারতের সাথে ম্যাচ বয়কট করতে পারে পাকিস্তান। আর যদি পুরো বিশ্বকাপ বয়কট করে কী কী শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে পাকিস্তানকে?
আইসিসি প্রতিটা পূর্ণ সদস্যের দল এরকম কোনও মেগা টুর্নামেন্টের আগে একটি পার্টিসিপেশন অ্যাগ্রিমেন্ট বা অংশগ্রহণের চুক্তি করে। বিশ্বকাপের আগে যদি পাকিস্তান এই চুক্তি ভাঙে তবে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে পাকিস্তানকে। অর্থাৎ সরাসরি আইনি জটিলতায় জড়াতে হতে পারে পাকিস্তানকে।

সেই চুক্তিতে রয়েছে কোনও দল চুক্তি ভাঙলে আর্থিক ধাক্কাও খেতে হতে পারে পাকিস্তানকে। আইসিসি যে অংশটা পূর্ণ সদস্যের দেশগুলোকে দেয় সেই টাকাটা দেবে না। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে অঙ্কটা হতে পারে ৩১৬ কোটি টাকা। আর এই আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লে পাকিস্তান ক্রিকেটের কোমর ভাঙে যাবে (World Cup)।

এছাড়াও দেশের ক্রিকেট বোর্ডে রাজনীতির হস্তক্ষেপের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পাকিস্তান যদি সরকারের নির্দেশে এই পথে হাঁটে বা আইসিসি-র নিয়মের বিরুদ্ধে যায় তাহলে সাসপেন্ড করা হতে পারে পাকিস্তানকে।
আরও পড়ুন: FTA Signed: স্বাক্ষরিত ভারত ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি: কার্যকর হলে সস্তা হবে কোন কোন খাদ্যপণ্য?
অতীতেও এমন ঘটনার সাক্ষী থেকেছে ক্রিকেট বিশ্ব। ক্রিকেটে রাজনীতির হস্তক্ষেপের জন্য শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবোয়েকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করতে দেয়নি আইসিসি। এক্ষেত্রে পাকিস্তানের সাথেও এই একই বিষয় হতে পারে। অন্যদিকে আইসিসি ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের নিয়ম প্রায় এক। সেই ক্ষেত্রে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুই দলকেই। এর পাশাপাশি পাকিস্তান ভবিষ্যতে ICC বা এশিয়া কাপের ইভেন্টের রাইটস হারাতে পারে।
পাকিস্তান ক্রিকেটে এই মুহূর্তে এখন সবথেকে বড় আয়ের উৎস পাকিস্তান সুপার লিগ। আইসিসি যদি পাকিস্তানকে বয়কট করে তবে সেক্ষত্রে পিএসএল-এ বাইরের দেশের প্লেয়াররা অংশ নিতে পারবেন না। কারণ সেক্ষত্রে ওলেয়াররা NOC পাবেন না তাদের দেশের বোর্ডের কাছ থেকে। এছাড়াও প্রভাব পড়বে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার ক্ষেত্রেও। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ থেকে ক্রিকেট বোর্ডগুলি সরাসরি যায় করে। তাহলে স্বাধীন ভাবে আয়ের রাস্তা বন্ধ হবে পাকিস্তানের। আর এর সরাসরি প্রভাব পড়বে বোর্ডের আয় এবং প্লেয়ারদের বেতনে (World Cup)।


