Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার অসুস্থতার খবরে রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে (JP Nadda)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আচমকাই অস্বস্তি বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত তাঁকে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এইমস)-এ নিয়ে যাওয়া হয়।
কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি (JP Nadda)
হাসপাতালে পৌঁছনোর পর নাড্ডাকে কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। হৃদ্যন্ত্র সংক্রান্ত কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, তা বোঝার জন্য বিশেষ নজর দেওয়া হয় তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর।
করা হয়েছে করোনারি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি (JP Nadda)
শুক্রবার নাড্ডার করোনারি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি করা হয়েছে। হৃদ্যন্ত্রের রক্তনালিতে কোনও বাধা বা অস্বাভাবিকতা রয়েছে কি না, তা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থেকেই তাঁর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
হাসপাতালের বিবৃতিতে কী বলা হয়েছে? (JP Nadda)
এইমসের তরফে জানানো হয়েছে, ১৩ অগস্ট সন্ধ্যায় অস্বস্তি বোধ করায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষাগুলির মধ্যে করোনারি অ্যাঞ্জিওগ্রাফিও ছিল। হাসপাতাল জানিয়েছে, বর্তমানে নাড্ডার অবস্থা স্থিতিশীল। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁকে কার্ডিওলজি বিভাগে রেখে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
আপাতত স্থিতিশীল নাড্ডা (JP Nadda)
এই মুহূর্তে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর। চিকিৎসকেরা নিয়মিত তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন। ফলে আপাতত উদ্বেগের বিশেষ কারণ নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে কবে ছাড়া পাবেন, সে বিষয়ে এখনও নির্দিষ্টভাবে কিছু জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন: Prakash Raj SIR: ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ: কড়া প্রতিক্রিয়া অভিনেতা প্রকাশ রাজের
বাদল অধিবেশন শেষের পরেই অসুস্থতা
ঘটনাটির সময়ও বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। বৃহস্পতিবারই শেষ হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন। অধিবেশন শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নাড্ডার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিজেপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে হাসপাতালের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছেন এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।



