Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহর সাম্প্রতিক স্বাধীনতা দিবসের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। সীমান্ত পারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি তাঁর পূর্বপুরুষদের ঐতিহাসিক স্লোগান ‘হামলাবর খবরদার, হাম কাশ্মীরি হ্যায় তৈয়ার’ স্মরণ করেন(PoK Omar Comment)।
ওমরের মন্তব্যে বিতর্ক (PoK Omar Comment)
ওমর আবদুল্লাহ বলেন, পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) বর্তমান পরিস্থিতি দেখে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত। তাঁর দাবি, ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা (৩৭০ ধারা) এবং রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে নেওয়া না হলে, আজকের PoK-এর বাসিন্দারা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের সঙ্গে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য নিজেরাই সোচ্চার হতেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ভবিষ্যতের কথা ভেবেই রাজ্য বিধানসভায় সীমান্তের ওপারে থাকা অঞ্চলগুলির জন্য আসন খালি রাখা হয়েছে, যাতে একদিন সেই আসনগুলি পূর্ণ হতে পারে। এ ছাড়া, তাঁর সরকার জম্মু ও কাশ্মীরের হারিয়ে যাওয়া রাজ্যের মর্যাদা এবং সাংবিধানিক অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যেতে সম্পূর্ণ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেও জানান তিনি।
বিজেপির পাল্টা প্রতিক্রিয়া (PoK Omar Comment)
ওমর আবদুল্লাহর এই মন্তব্যকে সম্পূর্ণ “দায়িত্বজ্ঞানহীন” বলে তীব্র কটাক্ষ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সুনীল শর্মা মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মঞ্চকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা উচিত হয়নি।
আরও পড়ুন: Independenc Rahul: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বয়কট: অনুপস্থিত খাড়গে, রাহুল
বিজেপি নেতার মতে, এই বিশেষ দিনে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত ছিল তাঁর সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকর্ম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা। কিন্তু তিনি তা না করে এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানকে সংকীর্ণ রাজনীতির জন্য ব্যবহার করেছেন(PoK Omar Comment)।
সব মিলিয়ে, ২০১৯ সালের সাংবিধানিক পরিবর্তন এবং সীমান্ত রাজনীতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলের এই বাকযুদ্ধ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজনৈতিক উত্তাপকে নতুন করে বাড়িয়ে তুলেছে।



