Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুপ্রিম কোর্ট কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে বিনায়ক দামোদর সাভারকর সম্পর্কে মন্তব্যের জন্য দায়ের করা ফৌজদারি অভিযোগ ও নিম্ন আদালতের সমন খারিজ করে দিয়েছে(Rahul SC)।
মামলার প্রেক্ষাপট ও মূল বিষয় (Rahul SC)
অভিযোগের কারণ: ২০২২ সালের নভেম্বরে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে সাভারকরকে ব্রিটিশদের সহযোগী ও পেনশনভোগী বলে উল্লেখ করার অভিযোগে আইনজীবী নৃপেন্দ্র পান্ডে উত্তরপ্রদেশের লখনউ আদালতে এই মামলা করেন।
মূল ধারা: ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ (গোষ্ঠীগত শত্রুতা বাড়ানো) এবং ৫০৫ (জনপরিসরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছিল।
সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ: বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চ জানান, ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) ১৯৬ ধারা অনুযায়ী ধারা ১৫৩এ-র অধীনে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের অনুমতি (Sanction) বাধ্যতামূলক।
আইনি প্রক্রিয়ার গতিপথ (Rahul SC)
নিম্ন আদালত ও হাইকোর্ট: ২০২৩ সালের জুনে অতিরিক্ত মুখ্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ খারিজ করলেও, সেশন কোর্টের নির্দেশে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে রাহুল গান্ধীকে সমন পাঠানো হয়। ২০২৫ সালের এপ্রিলে এলাহাবাদ হাইকোর্ট মামলাটি খারিজ করতে অস্বীকার করে।
সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ: হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাহুল গান্ধী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন।
অনুমতির অভাব: শুনানির সময় উত্তরপ্রদেশ সরকার আদালতে জানায় যে তারা এই মামলার জন্য কোনো আইনি অনুমতি দেয়নি।
আদালতের বক্তব্য (Rahul SC)
অভিযোগকারীর আইনজীবী মামলাটি পুনর্বিবেচনার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানালেও সুপ্রিম কোর্ট তা নাকচ করে দেয়। বিচারপতি দত্ত বলেন, “যদি রাজ্য সরকারের কোনো অনুমতি না থাকে, তবে সেখানেই বিষয়টি শেষ।”
যদিও শীর্ষ আদালত পূর্বে রাহুলের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে জানিয়েছিল যে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অপমান করা উচিত নয় এবং ভবিষ্যতে এমন বক্তব্য দিলে আদালত অবমাননার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে, তবে আইনি বাধ্যবাধকতা না মানায় এই ফৌজদারি মামলাটি সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হলো।



