Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: যুক্তরাষ্ট্রে আরও কঠোর ভোটার সনাক্তকরণ আইন চালুর দাবিতে ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প(Voter ID)। সম্প্রতি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের সাথে এক কথোপকথনের সূত্র ধরে ট্রাম্প এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন।
ট্রুথ সোশালে ট্রাম্পের বার্তা (Voter ID)
চলতি সপ্তাহে নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশাল’-এ ট্রাম্প লেখেন, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার মার্কিন প্রশাসনকে প্রশ্ন করেছিলেন—”বৈধ ছবিসহ পরিচয়পত্র (Photo ID) ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে কীভাবে নির্বাচন সম্ভব?”
ট্রাম্প এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে মার্কিন কংগ্রেসে ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’ (Save America Act) পাস করার আহ্বান জোরদার করেছেন। এই প্রস্তাবিত আইনের উদ্দেশ্য হলো ফেডারেল নির্বাচনে ভোটাধিকারের জন্য কঠোর নিয়ম চালু করা।
কী রয়েছে সেভ আমেরিকা অ্যাক্টে?
নাগরিকত্বের প্রমাণ: ভোটার নিবন্ধনের সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা।
ছবিসহ আইডি: ভোটকেন্দ্রে সরকারি ছবিসহ পরিচয়পত্র দেখানো আবশ্যক করা।
ডাকভোটে কড়াকড়ি: মেল-ইন বা ডাকভোটিং কেবল অসুস্থতা, শারীরিক অক্ষমতা বা ভ্রমণের মতো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সীমিত রাখা।
ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ (Voter ID)
হোয়াইট হাউস ও ট্রাম্প প্রশাসন ভারত ও ব্রাজিলের উদাহরণ টেনে জানিয়েছে, এই দেশগুলোতে ভোটার আইডি বায়োমেট্রিক ডেটাবেসের সাথে যুক্ত। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ভারতের সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে প্রায় ৬৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছেন, যেখানে প্রায় প্রতিটি ভোটারকেই বৈধ আইডি দেখাতে হয়েছে এবং ডাকভোট ছিল ১ শতাংশেরও কম। ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরও ট্রাম্পের এই যুক্তিকে সমর্থন করেছেন।
মার্কিন রাজনীতিতে বিতর্ক (Voter ID)
সমর্থকদের মতে, নতুন আইনটি নির্বাচনে জালিয়াতি রোধ করবে। তবে বিরোধীদের দাবি, এই নিয়ম বাস্তবায়িত হলে নির্দিষ্ট কিছু জনগোষ্ঠীর জন্য ভোট দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।



