Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর ১৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে গান্ধী জয়ন্তী (Gandhi Jayanti)। দিল্লির রাজঘাটে ভোরেই মহাত্মা গান্ধীর সমাধিস্থলে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সর্বধর্ম প্রার্থনা সভাতেও অংশ নেন তিনি। একইভাবে রাজঘাটে গিয়ে বাপুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।
সত্য, অহিংসা, করুণার বার্তা মোদির (Gandhi Jayanti)
গান্ধী জয়ন্তীতে সমাজমাধ্যমে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর জীবন ও আদর্শের কথা তুলে ধরেন। মোদি উল্লেখ করেন, গান্ধীর জীবন সত্য, অহিংসা, করুণা ও সেবার বার্তা বহন করে, যা এখনও সমাজকে পথ দেখাতে পারে। তাঁর বক্তব্যে গান্ধীর চিন্তাভাবনাকে একটি উন্নত সমাজ এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর পথে প্রাসঙ্গিক বলে তুলে ধরা হয়েছে।
‘স্বদেশী’ থেকে খাদি—কী বার্তা প্রধানমন্ত্রীর? (Gandhi Jayanti)
গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে একটি ভিডিও বার্তাও প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে গান্ধীর স্বদেশী ভাবনার কথা উল্লেখ করে খাদির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। ২ অক্টোবর অন্তত একটি খাদি পণ্য কেনার আবেদনও জানান মোদি। তাঁর বক্তব্যে গান্ধীর স্বদেশী ভাবনাকে বর্তমান সময়ের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা স্পষ্ট।
রাহুলের বার্তায় সত্য, অহিংসা ও নির্ভীকতা
রাজঘাটে শ্রদ্ধা জানানোর পর রাহুল গান্ধীও সমাজমাধ্যমে মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ স্মরণ করেন। তাঁর বার্তায় উঠে আসে সত্য, অহিংসা এবং নির্ভীকতার কথা। অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে সত্য ও অহিংসার পথে অবিচল থাকার শিক্ষাকে তিনি গান্ধীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উত্তরাধিকার হিসেবে তুলে ধরেন।
একই দিনে স্মরণ লালবাহাদুর শাস্ত্রীকেও (Gandhi Jayanti)
২ অক্টোবর শুধু মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন নয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীরও জন্মবার্ষিকী। এদিন দিল্লির বিজয়ঘাটে শাস্ত্রীর সমাধিতেও শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী মোদি। রাহুল গান্ধীও শাস্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ফলে একই দিনে দেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতার জীবন ও রাজনৈতিক-সামাজিক অবদান স্মরণ করা হয়।
আরও পড়ুন: Durga Puja 2026: মহালয়ায় ইডেনে মোদী, বিদেশের মাটিতেও দুর্গাপুজোর প্রচার
গান্ধীর আদর্শের প্রাসঙ্গিকতা কতটা?
গান্ধী জয়ন্তী প্রতি বছরই শুধু একটি স্মরণদিবস হিসেবে আসে না, বরং সত্য, অহিংসা, শান্তি, মানবিকতা ও স্বদেশী ভাবনার মতো বিষয়গুলি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করে। ২ অক্টোবর দিনটি রাষ্ট্রপুঞ্জের আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস হিসেবেও পালিত হয়। ফলে গান্ধীর দর্শনের প্রভাব ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরেও আলোচিত।



