Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিজেপির রাজ্য সভাপতি জেলা স্তরে দলীয় নেতৃত্বকে যে নির্দেশ পাঠিয়েছেন (Rudranil Ghosh), তা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ রাজ্য সভাপতির সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট বিচক্ষণ বলে ব্যাখ্যা করলেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দলের রাজ্য সভাপতির পদটির যে সাংগঠনিক মর্যাদা ও দায়িত্ব রয়েছে, সেই দায়িত্ব যথাযথভাবেই পালন করা হয়েছে সাম্প্রতিক নির্দেশগুলির মাধ্যমে। দলের অভ্যন্তরে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনও ধরনের বিচ্যুতির ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নেওয়াকে তিনি স্বাভাবিক সাংগঠনিক প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখছেন।
‘তৎকাল বিজেপি’দের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন (Rudranil Ghosh)
রুদ্রনীলের বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে এসেছে দলের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হওয়া একাংশকে ঘিরে তাঁর পর্যবেক্ষণ। তাঁর কথায়, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর ফলাফল প্রকাশের সময় হঠাৎ করে বেশ কিছু মানুষ ‘তৎকাল বিজেপি’ হয়ে উঠেছিলেন। তাঁরা এলাকায় বসবাস করেন এবং নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও মেলামেশার পাশাপাশি কখনও কখনও এক ধরনের ‘কালচারাল এক্সচেঞ্জ’-এরও চেষ্টা করেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। এই অংশের মধ্যেই কোনও ধরনের বিচ্যুতি বা সাংগঠনিক সমস্যার সম্ভাবনা তৈরি হলে তা সংশোধন করা প্রয়োজন বলেই মনে করেন রুদ্রনীল।
ভুল হলে সংশোধন, প্রয়োজন হলে কড়া নির্দেশ (Rudranil Ghosh)
রুদ্রনীলের মতে, একটি রাজনৈতিক দলের ভিত শক্তিশালী করতে হলে শুধু নতুন সদস্য গ্রহণ করাই যথেষ্ট নয়, দলের নীতি, আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা মেনে চলার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হয়। কোনও জায়গায় বিচ্যুতি দেখা দিলে তা চিহ্নিত করে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া এবং প্রয়োজনে কড়া নির্দেশ দেওয়া দলীয় নেতৃত্বের দায়িত্ব। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, বিজেপির জেলা ও স্থানীয় স্তরে সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীল আচরণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অতীতের শাসক দলের প্রসঙ্গও টানলেন (Rudranil Ghosh)
কথার প্রসঙ্গে রুদ্রনীল আগের শাসক দলের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তাঁর বক্তব্যের ইঙ্গিত, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে নতুনভাবে সংগঠন পরিচালনা করতে গেলে কিছু ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলীয় কাঠামোকে আরও সুসংহত করার প্রয়োজন রয়েছে বলেই তাঁর বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: Amit Shah: ভারত-নেপাল ও ভারত-ভুটান সীমান্ত নিয়ে বৈঠক, উত্তরবঙ্গে অমিত শাহের বিশেষ নজরে ‘চিকেনস নেক’
‘নো টলারেন্স’ নীতির বার্তা
সব মিলিয়ে রুদ্রনীলের বক্তব্যে বিজেপির সাম্প্রতিক সাংগঠনিক নির্দেশের প্রতি সমর্থনের সুরই স্পষ্ট। দুর্নীতি, অনিয়ম বা দলীয় নীতির বাইরে গিয়ে কোনও কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠলে তা উপেক্ষা না করে দ্রুত সংশোধন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষেই তিনি সওয়াল করেছেন। তাঁর কথায়, দলের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে নেতৃত্বের নির্দেশ এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা মেনে চলাই এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।



