Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শারদোৎসবের আর মাত্র ৫০ দিন। কলকাতার দুর্গাপুজো মানেই শুধু থিমের মণ্ডপ বা আলোর ঝলকানি নয়—শহরের আনাচেকানাচে ছড়িয়ে থাকা বনেদি বাড়ির দুর্গাপুজো আজও ধরে রেখেছে বাংলার বহু শতাব্দীর ঐতিহ্য (Durga Puja 2026)। বিশাল ঠাকুরদালান, সাবেকি প্রতিমা, পারিবারিক রীতি, ভোগের ঘ্রাণ আর প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা আচার—সব মিলিয়ে বনেদি বাড়ির পুজো যেন কলকাতার জীবন্ত ইতিহাস।

শোভাবাজার রাজবাড়ি (Durga Puja 2026)
কলকাতার বনেদি পুজোর তালিকায় প্রথম সারিতেই আসে শোভাবাজার রাজবাড়ি। রাজা নবকৃষ্ণ দেবের ঐতিহ্যবাহী পুজো ঘিরে আজও উত্তর কলকাতায় তৈরি হয় বিশেষ আবহ। শোভাবাজার-সুতানুটি মেট্রো স্টেশনে নেমে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় রাজবাড়িতে। সাবেকি ঠাকুরদালান ও ঐতিহাসিক পরিবেশ এই পুজোর অন্যতম আকর্ষণ।
খেলাত ঘোষ বাড়ি (Durga Puja 2026)
পাথুরিয়াঘাটা খেলাত ঘোষ বাড়ির দুর্গাপুজো উত্তর কলকাতার অন্যতম আকর্ষণ। ঐতিহ্যবাহী ঠাকুরদালান, পুরনো স্থাপত্য এবং পারিবারিক রীতির জন্য এই পুজো দর্শনার্থীদের টানে। এখানে যেতে গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশন সবচেয়ে সুবিধাজনক। মহাত্মা গান্ধী রোড স্টেশন থেকেও যাওয়া যায়।

জানবাজারের রানি রাসমণি বাড়ি (Durga Puja 2026)
ইতিহাসের সঙ্গে ধর্মীয় আবেগের অপূর্ব মেলবন্ধন দেখা যায় জানবাজারের রানি রাসমণি বাড়ির পুজোয়। এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন থেকে এই ঐতিহ্যবাহী বাড়িতে পৌঁছনো সহজ। পার্ক স্ট্রিট স্টেশন থেকেও যাওয়া যায়।
জোড়াসাঁকো ও সাবর্ণ বাড়ি (Durga Puja 2026)
জোড়াসাঁকোর ডাওয়ার বাড়ি এবং সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবারের পুজো-ও বনেদি কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ। জোড়াসাঁকোর জন্য গিরিশ পার্ক বা মহাত্মা গান্ধী রোড মেট্রো সুবিধাজনক। সাবর্ণদের বিখ্যাত বড়িশার পুজো দেখতে গেলে বেহালা বাজার/তারাতলা এলাকার মেট্রো-যোগাযোগ ব্যবহার করা যায়।

আরও পড়ুন: Kolkata Police : লালবাজার নয় ! কলকাতার ব্যাঙ্কগুলির নিরাপত্তায় বড় বদল
অপেক্ষা এখন থেকেই
বনেদি বাড়ির দুর্গাপুজো দেখার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল তার ঘরোয়া আবহ। পাঁচ দিনের উৎসব শেষে বিসর্জনের বিষণ্ণ মুহূর্তে যখন প্রতিমার কানে বলা হয়—‘আসছে বছর আবার এসো’, তখন মনে হয় দেবী যেন পরিবারেরই একজন। তাই আর দেরি নয়—দুর্গাপুজোর আর মাত্র ৫০ দিন, এখন থেকেই তৈরি করে ফেলুন আপনার বনেদি বাড়ির পুজো-পরিক্রমার তালিকা।



