Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফুটবলের মহাআয়োজন তো কবেই চুকেবুকে গিয়েছে, কিন্তু ফিফার পিছুটান আর দুর্নীতি যেন পিছু ছাড়ার পাত্র নয় (FIFA Corruption)। জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর রকমারি কীর্তিকলাপ নিয়ে এমনিতেই বিশ্বজুড়ে শোরগোল পড়ে রয়েছে, তারওপর আবার নতুন এক মধুর সংবাদে সরগরম ফুটবলের অন্দরমহল। ২০১৫ সালের সেই চিরস্মরণীয় ফিফা কেলেঙ্কারির ভূত ফের ঘাড়ের ওপর চেপে বসেছে, আর তাতেই রীতিমতো থ্রি-পিস স্যুট পরে ঘাম ছুটছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামকদের।
বাপের বেটা, ঘুষের জোয়ার! (FIFA Corruption)
আর্জেন্টিনার দুই বিখ্যাত মিডিয়া ব্যারন—হুগো জিনকিস ও তাঁর সুযোগ্য পুত্র মারিয়ানো জিনকিস—একদম সোজাসাপ্টা স্বীকার করে নিয়েছেন তাঁদের মহান কীর্তি। ‘ফুল প্লে’ নামের স্পোর্টস মার্কেটিং কোম্পানির মালিক এই পিতাপুত্র মার্কিন তদন্তকারীদের সামনে অকপটে জানিয়েছেন, ফিফার লোভনীয় সম্প্রচার স্বত্ত্ব পেতে লক্ষ লক্ষ মার্কিন ডলার ঘুষের থলি তাঁরা কীভাবে উজাড় করে দিয়েছিলেন। বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব কিংবা কোপা আমেরিকার মতো লোভনীয় টুর্নামেন্টের মিষ্টি প্যাকেজ হাতাতে কোটি কোটি টাকার লেনদেন যে জলভাত ছিল, তা তাদের এই স্বীকারোক্তিতে ফের একবার প্রমাণিত।
কেলেঙ্কারির পসরা সাজা! (FIFA Corruption)
২০১৫ সালের ২৭ মে জুরিচের সেই পাঁচতারকা হোটেলে মার্কিন এফবিআইয়ের নাটকীয় হানা আর ফিফা কর্তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তারের দৃশ্য কার না মনে আছে? সেবার শেপ ব্লাটারের সিংহাসন উল্টে গেলেও দুর্নীতি বুঝি আর সহজে যাওয়ার নয়। তদন্ত আজও চলছে, আর একেকটি নতুন তথ্য যেন কেলেঙ্কারির মুকুটে নতুন সব পালক যোগ করছে। ফিফার বুকচেরা পবিত্র ভাবমূর্তিতে এখন দুর্নীতির এমন রঙের ছোঁয়া লেগেছে যে তা ধুতে আস্ত একটা প্রশান্ত মহাসাগরও বোধহয় কম পড়বে।
আরও পড়ুন: Mohammed Sanan: সানানকে নিয়ে শুরু ইস্ট-মোহনের লড়াই! কে এগিয়ে দৌড়ে?
ফিফার নিখাদ সততা! (FIFA Corruption)
সভাপতি মহাশয় জিয়ান্নি ইনফান্তিনো তো এমনিতেই নানা বিতর্কের চাদরে মুড়ে দিব্যি আছেন, আর এখন এই আর্জেন্টাইন যুগলের নতুন স্বীকারোক্তি সেই মুকুটে নতুন এক পালক পরিয়ে দিল (FIFA Corruption)। কে বলবে ফিফা একটি নিখাদ ক্রীড়া সংস্থা? কোটি কোটি টাকার এই ঘুষের কারবার প্রমাণ করে দেয় যে ফিফার অন্দরে সততার সংজ্ঞাটা আসলে কতখানি গোলমেলে। বিশ্ব কাপ শেষ হলেও ফিফার এই কেলেঙ্কারির রিয়ালিটি শো কবে যে শেষ হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়!



