Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের আগাম জামিনের মামলায় অভিষেকের সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’ নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-কে ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের। তদন্তের মন্থর অগ্রগতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে (Abhishek Banerjee PA)।
আদালতে দাবী করেন (Abhishek Banerjee PA)
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের আগাম জামিনের মামলার শুনানি ছিল। শুনানিতে কেন্দ্রের আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে দাবী করেন একটি রাজনৈতিক দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ৩০ কোটি টাকা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’ এর মত একটি ‘দাগী’ সংস্থার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে।
বাগচী কেন্দ্রীয় এজেন্সির উদ্দেশ্যে বলেন (Abhishek Banerjee PA)
তখনই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী তীব্র ভর্ৎসনা করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। বিচারপতি বাগচী কেন্দ্রীয় এজেন্সির উদ্দেশ্যে বলেন, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স-এর কথা যত নাট আনা যায় ততই আপনাদের জন্য মঙ্গল। প্রতিক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থার লিপস অ্যান্ড বাউন্সের মামলায় তদন্তের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। কলকাতা হাইকোর্টের একের পর এক বিচারপতি এই মামলায় একাধিক বিভিন্ন নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় এজেন্সির সদিচ্ছো কখনই দেখা যায়নি। এক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থা কখনও তদন্ত অদ্ভুতভাবে মন্থর করে দিয়েছে, আবার কখনও অতি তৎপরতা দেখা গিয়েছে। তদন্তের ক্ষেত্রে সব সময় একটা নিরপেক্ষতা এবং স্বচ্ছতা থাকা উচিত।’
আরও পড়ুন: Nepal China: নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান: চিনের দিকে আঙুল, অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল বেইজিং
আদালতকে জানান (Abhishek Banerjee PA)
সুমিত রায়ের আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ তখন আদালতকে জানান, ১১ দিন ধরে সুমিত রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু যে বিষয়ে অভিযোগ, সেই বিষয়ে একটি প্রশ্নও করা হয়নি। এই বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, ‘সুমিত রায়কে অভিযোগ সংক্রান্ত সমস্ত প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করা হয়েছে। আমরা আদালতে সব জমা দেব। ১০ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে। কিন্তু এটা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। নগদ কালো টাকা অন্য কোথাও রাখা আছে। সম্প্রতি দু’কোটি টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে।’ এরপরই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জিজ্ঞাসাবাদে ট্রান্সক্রিপ্ট তলব করেন। আগামী সোমবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।



