Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নেপালে রুদ্ধশ্বাস উদ্ধার অভিযান চলছে। ভোট কোশী ও ত্রিশূলী নদীর প্লাবনে বহু ঘরবাড়ি ও গাড়ি ভেসে গেছে, মৃতের সংখ্যা ১৬৫ ছাড়িয়েছে। নিখোঁজ ৮০০-র বেশি মানুষ। ভয়াবহ এই বিপর্যয়ে পর চিনের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন(Nepal China)।
চিনকে কেন্দ্র করে যেসব বিতর্ক (Nepal China)
পরিবেশগত ক্ষতির অভিযোগ: ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি উঠেছে, তিব্বতের গিরোং (Gyirong) শহরে চিনের ‘শিয়াওকাং’ (Xiaokang) আবাসন প্রকল্প ও পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরির ফলে হিমালয়ের সংবেদনশীল বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি হচ্ছে। এখান থেকেই প্রতিবছর হিমধস ও হড়পা বানের সৃষ্টি হচ্ছে।
সতর্কবার্তা না দেওয়ার অভিযোগ: নেপালি সংবাদমাধ্যমের দাবি, চিন সীমান্তে সকাল ৮:১৫ (নেপাল সময়) নাগাদ হড়পা বান আঘাত হানে। তার ৪৫ মিনিট পর পানির ঢল নেপালে পৌঁছায়। কিন্তু চিনের পক্ষ থেকে সময়মতো কোনো আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি; স্থানীয়রাই প্রশাসনকে প্রথম খবর দেন।
চিনের প্রতিক্রিয়া (Nepal China)
বেইজিং ও নেপালে অবস্থিত চিনা দূতাবাস সব অভিযোগকে সম্পূর্ণ “ভুয়ো” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। চিনের বক্তব্য:
এটি কোনও ড্যাম ভাঙার ঘটনা বা মানবসৃষ্ট দুর্যোগ নয়।
২৬ আগস্ট সকালে নেপাল সীমান্তে ভূমিকম্প বা হিমবাহ ধসের (glacier collapse) কারণে বিশাল কাদা-ধসের সৃষ্টি হয়, যা থেকেই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আরও পড়ুন: Nepal Disaster: ভয়াবহ বন্যার মাঝে নিখোঁজ মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা
চিনা রাষ্ট্রদূত ঝাং মাওমিং জানান, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই ঘটনাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন এবং নিখোঁজদের উদ্ধার ও ত্রাণ কাজে সব ধরনের সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন(Nepal China)।



