Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়াল লিখন ঘিরে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে (Jadavpur University)। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া বার্তার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেওয়াল থেকে বিতর্কিত ও কথিত দেশবিরোধী গ্রাফিতি মুছে ফেলার উদ্যোগ নেয়। রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগের কর্মীরা সাদা রং দিয়ে একাধিক দেওয়াল ঢেকে দেন। কিন্তু সেই চুনকামের রং শুকোতে না শুকোতেই ফের সেখানে দেখা গেল রাজনৈতিক বক্তব্য ও গ্রাফিতি।

কার্ল মার্ক্সের উক্তিতে নতুন করে বিতর্ক (Jadavpur University)
ওপেন এয়ার থিয়েটারের কাছাকাছি সাদা করা দেওয়ালে স্প্রে পেইন্টের মাধ্যমে লেখা হয়েছে জার্মান দার্শনিক কার্ল মার্ক্সের একটি উক্তি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের পরও কীভাবে এত দ্রুত দেওয়াল লিখন ফিরে এল? বিষয়টি ঘিরে ক্যাম্পাসে নতুন করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।
‘Reclaim the Wall’ কর্মসূচি এসএফআইয়ের (Jadavpur University)
এরই মধ্যে মুক্তচিন্তার অধিকার এবং যাদবপুরের ঐতিহ্যবাহী দেওয়াল লিখনের সংস্কৃতি বজায় রাখার দাবিতে সরব হয়েছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই। সংগঠনের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট ‘Reclaim the Wall’ কর্মসূচির ঘোষণা করে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেট-সহ একাধিক জায়গায় রং-তুলি নিয়ে দেওয়াল লিখন ও গ্রাফিতি আঁকার কাজ শুরু হয়।
মতাদর্শ থাকুক, আঘাত নয়: কর্তৃপক্ষ (Jadavpur University)
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, প্রত্যেকের নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতেই পারে। কিন্তু সেই মতাদর্শের প্রকাশ যেন অন্যের অনুভূতি বা রাজনৈতিক বিশ্বাসে আঘাত না করে। দেওয়াল লিখনের ক্ষেত্রেও সকল পক্ষকে সংযত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee PA: সুমিত রায়ের আগাম জামিন শুনানিতে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’ নিয়ে সরব সুপ্রিম কোর্ট
ঐতিহ্য বনাম আধুনিকতার প্রশ্ন
কর্তৃপক্ষের মতে, যাদবপুরের দেওয়াল লিখন দীর্ঘদিনের সংস্কৃতির অংশ হলেও সময়ের সঙ্গে সেই সংস্কৃতিরও পরিবর্তন প্রয়োজন। রাজনৈতিক গ্রাফিতি বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক সময় অপরিচ্ছন্ন ও ‘ডার্টি লুক’ দেয় বলেও মত কর্তৃপক্ষের। তাই প্রশ্ন উঠছে—যাদবপুরের ঐতিহ্যবাহী দেওয়াল লিখন কি থাকবে, নাকি আধুনিক সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তার নতুন সংজ্ঞা তৈরি হবে?



