Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৭ সালের আবহাওয়া নিয়ে নতুন করে (El nino Threat) উদ্বেগ তৈরি করছে এল নিনো। প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার এই জলবায়ুগত পরিস্থিতি আগামী কয়েক মাসে আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO)। আশঙ্কা, ২০২৬ সালের শেষদিকে এর প্রভাব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছতে পারে এবং ২০২৭ সালের শুরুতেও তার প্রভাব বজায় থাকতে পারে।
বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক প্রবাহে পরিবর্তন (El nino Threat)
এল নিনো মূলত ENSO-এর উষ্ণ (El nino Threat) পর্যায়। নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশে সমুদ্রের জল স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি গরম হয়ে উঠলে বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক প্রবাহেও পরিবর্তন ঘটে। এর প্রভাব শুধু ওই অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা এবং আবহাওয়ার স্বাভাবিক ছন্দ বদলে যেতে পারে।
‘ভেরি স্ট্রং’ এল নিনো (El nino Threat)
WMO-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক মাসে এল নিনো ‘ভেরি স্ট্রং’ (El nino Threat) বা অত্যন্ত শক্তিশালী পর্যায়ে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
কোনও কোনও এলাকায় অতিবৃষ্টি ও বন্যা দেখা দিতে পারে। আবার অন্যত্র দীর্ঘস্থায়ী শুষ্কতা, খরা কিংবা অস্বাভাবিক তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কৃষি, জলসম্পদ এবং সাধারণ জনজীবনেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
আরও পড়ুন: Mostafijur Rahaman: ‘নিজের বুথে আপনি যে সিপিএম, মানুষ জানে তো?’ রানার বিস্ফোরক বার্তা
ভারতের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি নিয়ে নজর রাখছেন আবহবিদরা। চলতি বছরে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হলেও এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে এখনই নিশ্চিন্ত হওয়ার সুযোগ নেই। আগামী কয়েক মাসে সমুদ্রের তাপমাত্রা এবং বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির পরিবর্তনের উপরই অনেকটা নির্ভর করবে ২০২৭ সালের আবহাওয়ার চিত্র।


