Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাজারে পাওয়া নানা ধরনের শাকসবজির (Carrot Benefits) মধ্যে গাজর একেবারে আলাদা এক স্থান দখল করে আছে। সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর এই সবজিটি শুধু রঙে নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টি অক্সিড্যান্টসহ নানা উপাদানে ভরপুর গাজর স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই নিয়মিত গাজর খাওয়া আমাদের শরীরের নানা সমস্যার প্রতিকার হিসেবে কাজ করে।
গাজরের অন্যতম প্রধান গুণ (Carrot Benefits)
গাজরের অন্যতম প্রধান গুণ হল এতে ভিটামিন এ-এর পরিমাণ অনেক বেশি (Carrot Benefits) থাকে, যা চোখের জন্য বিশেষ উপকারী। এছাড়া গাজরে থাকা ক্যারোটিনয়েড ও ফলকারিনোল নামক উপাদানগুলো ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে। সাউদার্ন ডেনমার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, গাজর প্রোস্টেট, কোলন, ফুসফুস, পাকস্থলী এবং লিউকেমিয়া ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সক্ষম।
কার্যকর ভূমিকা (Carrot Benefits)
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং কোলেস্টেরল কমানোর ক্ষেত্রেও গাজর কার্যকর ভূমিকা (Carrot Benefits) পালন করে। গাজরের মধ্যে থাকা ফাইবার, পটাসিয়াম এবং অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। তাছাড়া বিটা-ক্যারোটিন ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং বয়সজনিত ছাপ, বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে।
পুষ্টিগুণ
গাজর খাওয়ার পদ্ধতি অনুযায়ী এর পুষ্টিগুণ ভিন্নরকম প্রভাব ফেলে। কাঁচা গাজর চিবিয়ে খাওয়া হলে এতে থাকা ভিটামিন সি, ফাইবার এবং অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট সর্বোচ্চ মাত্রায় পাওয়া যায়। কাঁচা গাজর দাঁত-মাড়ির জন্যও খুবই উপকারী, কারণ এতে থাকা ফাইবার দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করে এবং মুখের স্বাস্থ্য উন্নত করে। এছাড়া কাঁচা গাজর হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য অপরিহার্য
অন্যদিকে, গাজর সেদ্ধ বা রান্না করলে এর বিটা-ক্যারোটিনের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা শরীরে ভিটামিন এ-তে পরিণত হয়। এটি চোখ, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য অপরিহার্য। তবে অতিরিক্ত সময় ধরে রান্না করলে কিছু পুষ্টি উপাদান নষ্ট হতে পারে। তাই গাজর হালকা সেদ্ধ বা ভাপে রান্না করাই উত্তম।
আরও পড়ুন: Swastika Mukherjee: ‘বৌদি’র খোলস ছেড়ে প্রোমোটারিতে মন! নতুন চমক স্বস্তিকার
গাজরের রস বানিয়ে খাওয়াও শরীরের জন্য উপকারী, বিশেষত হার্টের রোগীদের জন্য। টেক্সাসের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, গাজরের রসে থাকা অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট শরীরে সহজেই শোষিত হয়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তবে রস তৈরিতে গাজরের ফাইবার বাদ পড়ে যায়, যা হজমের জন্য জরুরি। তাই রসের সঙ্গে অল্প পরিমাণ নারকেল তেল মেশানো যেতে পারে, কারণ তাতে বিটা-ক্যারোটিনের শোষণ ভালো হয়।


