Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বারাসাত স্টেডিয়াম জ্বলল মশাল। কলকাতা লিগের নিয়মরক্ষার ডার্বি ১-১ গোলে ড্র (East Bengal)। দুটি দলই আগেই সুপার সিক্স নিশ্চিত করে ফেলেছে। তাই ম্যাচটির মূল আকর্ষণ ছিল কেবল সম্মান রক্ষার লড়াই। তবে মোহনবাগান তাদের সিনিয়র খেলোয়াড়দের মাঠে নামিয়েও ইস্টবেঙ্গলের জুনিয়র দলকে হারাতে পারেনি। শুধু তাই নয়, ১১জন বঙ্গ সন্তানকে নিয়ে লড়াই করল ইস্টবেঙ্গল। জুনিয়র ছেলেরা মোহনবাগানের আইএসএলের ফুটবলারদের চোখে চোখ রেখে টেক্কা দিল। শুভাশিস বোস, আপুইয়াদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হল ইস্টবেঙ্গলের জুনিয়রদের আটকাতে।

প্রথম অর্ধে মোহনবাগানের প্রাধান্য (East Bengal)
আইএফএ শিল্ড ও আইএসএল ছাড়া কোনো অন্য প্রতিযোগিতা না থাকায় মোহনবাগান ম্যানেজমেন্ট এই ম্যাচে বেশ কিছু সিনিয়র এবং অভিজ্ঞ ফুটবলারকে যুক্ত করে। শুভাশিস বসু, রাহুল ভেকে, মনবীর সিং, সাহাল সামাদ এবং আপুইয়াদের নিয়ে দল গঠন করা হলেও প্রথমার্ধে তারা একাধিক সুযোগ নষ্ট করে। অধিনায়ক শুভাশিস বেশ কয়েকটি সুযোগে গোল আদায় করতে ব্যর্থ হন, তেমনি সাহাল এবং কিয়ান নাসিরিও সুযোগ হাতছাড়া করেন। শেষে ৩৭ মিনিটে একক দক্ষতার মাধ্যমে বক্সে…র বাঁ দিক থেকে দুর্দান্ত গোলে মোহনবাগানকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মনবীর সিং।

বিলালের সমতা ফেরানো গোল (East Bengal)
দ্বিতীয়ার্ধে সম্পূর্ণ অন্য মেজাজে ধরা দেয় লাল-হলুদ ব্রিগেড। প্রথমার্ধের জড়তা কাটিয়ে উঠে একের পর এক আক্রমণে মোহনবাগান রক্ষণকে চাপে ফেলে দেয় ইস্টবেঙ্গলের তরুণ তুর্কিরা। খেলার ৬০ মিনিটের মাথায় চাকু মান্ডির জোরালো শট ডিফেন্ডারদের গায়ে লেগে প্রতিহত হলেও, ঠিক তিন মিনিট পরেই কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। ৬৩ মিনিটে বিজয় মুর্মুর ভাসানো কর্নার শটে চমৎকার হেড করে ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরান মহম্মদ বিলাল (১-১)।

আরও পড়ুন: Kashmir Tourism: তুষারপাতের সাদা চাদরে বদলে গেল কাশ্মীর, পর্যটকদের ভিড়ে জমজমাট ‘ভূস্বর্গ’
মাঠের উত্তেজনা ও অমীমাংসিত সমাপ্তি
খেলার মাঝে আপুইয়ার সঙ্গে সংঘাতের কারণে ইস্টবেঙ্গলের মনোতোষ মাঝির নাক ফেটে রক্তপাত হলে মাঠে উত্তেজনা তৈরি হয়। শেষ মুহূর্তে দুই দলই জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলে গ্যালারির গর্জন ও মাঠের লড়াই ডার্বির পরিবেশকে আরও জমজমাট করে তোলে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলেই শেষ হয় ম্যাচ, আর ইস্টবেঙ্গলের জুনিয়রদের বিরুদ্ধে জয়ের অধরা রেকর্ড নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় মোহনবাগানের সিনিয়র নির্ভর দলকে।



