Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বালেশ্বর জেলার ভোগরাই ব্লকের বিচিত্রপুর জঙ্গলে একসঙ্গে পাঁচটি অচেনা প্রাণীর দেখা মেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে (Orangutan)। স্থানীয়দের দাবি, প্রাণীগুলিকে দেখতে অনেকটা ওরাংওটাংয়ের মতো। জঙ্গলের মধ্যে গাছপালার আশপাশে তাদের চলাফেরা নজরে আসতেই প্রথমে বিস্মিত হয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি রীতিমতো কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।
ছবি-ভিডিও করতে জঙ্গলের কাছে ভিড় (Orangutan)
বিরল প্রাণী দেখার খবর দ্রুত আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিচিত্রপুর জঙ্গলের কাছে মানুষের ভিড় জমতে শুরু করে। অনেকেই দূর থেকে প্রাণীগুলিকে দেখার চেষ্টা করেন। কেউ মোবাইলে ছবি তুলেছেন, আবার কেউ ভিডিও করে তা ছড়িয়ে দেন। ফলে মুহূর্তের মধ্যেই ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
বন দফতরের তৎপরতায় উদ্ধার পাঁচ প্রাণী (Orangutan)
ঘটনার খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন বন দফতরের কর্মীরা। মানুষের ভিড় যাতে প্রাণীগুলির জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি না করে, সেদিকেও নজর দেওয়া হয়। এরপর পাঁচটি প্রাণীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা যায়। তাদের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করার জন্য পশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সত্যিই কি ওরাংওটাং, উঠছে প্রশ্ন (Orangutan)
ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল—উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলি আদৌ ওরাংওটাং কি না, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। কারণ ওরাংওটাং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বনাঞ্চলের প্রাণী এবং ভারতীয় জঙ্গলের স্বাভাবিক বাসিন্দা নয়। ফলে বিচিত্রপুরের মতো এলাকায় একসঙ্গে পাঁচটি প্রাণীর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রহস্য তৈরি করেছে।
কোথা থেকে এল পাঁচটি প্রাণী? (Orangutan)
যদি প্রাণীগুলি সত্যিই ওরাংওটাং হয়, তাহলে তারা বিচিত্রপুরে কীভাবে এল—সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। অন্য কোনও স্থান থেকে তাদের আনা হয়েছিল কি না, কেউ বেআইনিভাবে পোষ মানিয়ে রেখেছিল কি না, অথবা অন্য কোনওভাবে তারা এখানে এসে পৌঁছেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: Agnimitra Paul: ডেঙ্গু রুখতে বাগুইআটিতে অগ্নিমিত্রা পল
তদন্তেই মিলবে রহস্যের উত্তর
প্রাণীগুলির সঠিক প্রজাতি শনাক্তকরণ এবং তাদের উৎস সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পরই রহস্যের সমাধান হতে পারে। বন দফতরের তদন্তে সামনে আসতে পারে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আপাতত পাঁচটি প্রাণীর নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের অতিরিক্ত ভিড় ও কৌতূহল থেকে তাদের দূরে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করাই এখন বনকর্মীদের প্রধান দায়িত্ব।



