Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে পরমবীর চক্র পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সোশ্যাল মিডিয়া এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট শেয়ার করে তাঁর জন্মদিনে শুভেচ্ছার পাশাপাশি কার্গিল যুদ্ধে তাঁর অবদান স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন দেশবাসীকে।
অমিত শাহর পোস্ট (Amit Shah)
অমিত শাহ (Amit Shah) তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘পরমবীর চক্র পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে স্যালুট। কার্গিল যুদ্ধে তিনি শুধু কৌশলগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ শৃঙ্গগুলিই জয় করেননি, বরং তাঁর অতুলনীয় নেতৃত্ব এবং সাহসিকতা দিয়ে সহযোদ্ধাদের মনোবলও বাড়িয়ে তুলেছিলেন। মাত্র ২৪ বছর বয়সে মাতৃভূমির জন্য জীবন উৎসর্গকারী ‘শেরশাহ’- এর জীবন জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে সকলকে অনুপ্রাণিত করে যাবে।’
Dog Attack Case: সঙ্গমরত পথকুকুরকে ‘উচিত শিক্ষা’! লিঙ্গে কোপ মাংস ব্যবসায়ীর!
কে এই বিক্রম বাত্রা ?
ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রা কহিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন সাহসী অফিসার। ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে মাত্র ২৪ বছর বয়সে বীরত্বের সাথে লড়াই করে যুদ্ধের সময় শহীদ হন। তাঁর জন্ম ১৯৭৪ সালে হিমাচল প্রদেশের পালমপুরে। তাঁর অসাধারণ সাহস ও আত্মত্যাগের জন্য তাঁকে ভারতের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘মরনোত্তর পরমবীর চক্র’ প্রদান করা হয়।
কারগিল যুদ্ধ
১৯৯৯ সালের ১৭ জুন বাত্রাকে ৫১৪০ পয়েন্ট দখলের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৮ জুন তিনি পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন।এই সময় বিক্রম তাঁর ব্যাটেলিয়নের সাফল্যের সংকেত হিসাবে “ইয়ে দিল মাঙ্গে মোর” কথাটি বেছে নেন। পয়েন্ট ৫১৪০ দখলের পর বাত্রাকে ক্যাপ্টেন পদে পদান্নিত করা হয়েছিল। তাঁর পরবর্তী দায়িত্ব ছিল পয়েন্ট ৪৮৭৫ দখল করা। জানা যায়, ৭ জুলাই ক্যাপ্টেন বাত্রা প্রচন্ড জ্বর ও ক্লান্তি সত্ত্বেও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ওইদিন অন্য এক অফিসার, লেফটেন্যান্ট নবীন আনারুকে উদ্ধার করার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন।


