Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রেজিনগর ও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের মুখেই ঘাসফুল প্রতীক (TMC Symbol) হাতছাড়া হওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু প্রথম রাউন্ডে আপাতত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে কালীঘাট শিবির (Kalighat TMC)। দিল্লির নির্বাচন কমিশনের দরবারে শনিবার দড়ি টানাটানিতে কিছুটা হলেও অ্যাডভান্টেজ মমতার ঝুলিতেই।
মমতার হাতেই থাকছে ‘জোড়াফুল’! (TMC Symbol)
মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর। আর তার আগেই শনিবার নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ মুখোমুখি বসেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে। সূত্রের খবর, ঋতব্রতদের (Ritabrata Banerjee) জমা দেওয়া নথির জবাব দিতে কালীঘাট শিবিরকে সময় দেওয়া হয়েছে ১৬ ও ১৭ সেপ্টেম্বর। অর্থাৎ, মনোনয়ন জমার শেষ তারিখ পার হওয়ার আগে নির্বাচন কমিশন যে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ বা প্রতীক ফ্রিজ (Freeze) করার মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না, তা এক প্রকার পরিষ্কার।
আরও পড়ুন:Trinamool Symbol Dispute: তৃণমূলের ‘জোড়া ফুল’ কার দখলে? কমিশনের দরজায় দুই শিবির
আইনজীবীদের একাংশের মতে, কমিশন নতুন সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত বজায় থাকবে ‘স্টেটাস কো’ বা স্থিতাবস্থা। আর এখানেই বাজিমাত কালীঘাটের! কারণ, ২০২৬-এর মূল নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষরেই বণ্টন হয়েছিল দলীয় প্রতীক (TMC Symbol)। ফলে এই উপনির্বাচনেও তিনিই যে ‘জোড়াফুল’ প্রতীক বরাদ্দের শেষ কথা, তা রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তিতে স্পষ্ট।
প্রতীক-জট তৈরির অর্থ কী?
অন্যদিকে ডেরেক ও’ব্রায়েন সরাসরি কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে প্রশ্ন তুলেছেন, ২০২৭ সাল পর্যন্ত যখন তৃণমূলের সংবিধানে চেয়ারপার্সন হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেয়াদ নির্দিষ্ট রয়েছে, তখন উপনির্বাচনে এই প্রতীক (TMC Symbol) নিয়ে জট তৈরি করার অর্থ কী? বিদ্রোহী শিবিরের যুক্তি ও নথিকে “আইনগতভাবে ভিত্তিহীন” বলেও দাবি করেছেন কালীঘাটের প্রতিধিরা।
আরও পড়ুন:Raiganj Municipality: কবে মিলবে নির্বাচিত প্রতিনিধি? পুর-ভোটের অপেক্ষায় রায়গঞ্জবাসী
সব মিলিয়ে, ১৬ সেপ্টেম্বরের সময়সীমা ঘনিয়ে আসতেই নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ অবস্থানের সুবিধা আপাতত যাচ্ছে মমতা (Mamata Banerjee) শিবিরের কোর্টে। ঋতব্রত শিবির নিজেদের আসল তৃণমূল দাবি করলেও, রেজিনগর আর নন্দীগ্রামের মহারণে ঘাসফুল পতাকাই শেষ পর্যন্ত কালীঘাটের সেনাপতিদের হাতে থাকে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা বাংলা!


