Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতার পার্ক স্ট্রিট থানা এলাকার কিড স্ট্রিটে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হল একসঙ্গে ৫৬টি ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন (Park Street)। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে ক্লাসিক হোটেলের কাছাকাছি এলাকায় অভিযান চালায় কলকাতা পুলিশের ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের ওয়াচ সেকশন। সেখান থেকেই সন্দেহজনক অবস্থায় দু’জনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
তল্লাশিতে মিলল ৫৬টি মোবাইল (Park Street)
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের তল্লাশি চালিয়ে মোট ৫৬টি ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এতগুলি মোবাইল একসঙ্গে কেন তাঁদের কাছে ছিল, সেগুলি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং ফোনগুলির বৈধ মালিকানা সংক্রান্ত কোনও নথি রয়েছে কি না—তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে উদ্ধার হওয়া ফোনগুলিকে সন্দেহভাজন চোরাই মোবাইল বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেগুলি নিশ্চিতভাবে চোরাই বলে দাবি করছে না পুলিশ (Park Street)।
ধৃতদের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিক (Park Street)
এই ঘটনায় গ্রেফতার দু’জনের মধ্যে একজন বাংলাদেশের নাগরিক বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাঁর নাম ইমরান আহমেদ, বয়স ২৩ বছর। অপর ধৃতের নাম আসিফ আলি ওরফে ছোটু, বয়স ৩২ বছর। পুলিশের দাবি, ইমরানের কাছ থেকে পাওয়া নথিপত্র অনুযায়ী তাঁর কাছে পাসপোর্ট এবং বৈধ ভিসা রয়েছে। তবে তিনি ভারতে থাকার সময় ভিসার নির্ধারিত শর্ত লঙ্ঘন করেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ভিসার নিয়ম ভাঙার প্রমাণ মিললে বাড়তে পারে মামলা
ঘটনায় পার্ক স্ট্রিট থানায় BNS-এর 303(2), 317(2), 317(5) এবং 61(2) ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন ইমরানের বিরুদ্ধে ভিসার নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে পরবর্তীতে Foreigners Act-এর ১৪ নম্বর ধারাও যুক্ত করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: UPI Transaction Charges: ১৫ অক্টোবর থেকে UPI-তে নতুন নিয়ম, কত টাকা চার্জ জানুন
ফোনগুলির উৎস খুঁজছে তদন্তকারীরা
এখন পুলিশের মূল লক্ষ্য উদ্ধার হওয়া ৫৬টি মোবাইল ফোনের উৎস খুঁজে বের করা। ফোনগুলি কোথা থেকে এসেছিল, কার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং কোনও চুরি বা অপরাধের ঘটনায় এগুলি ব্যবহার হয়েছিল কি না—সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফোনগুলির তথ্য ও মালিকানা যাচাইয়ের পাশাপাশি ধৃতদের সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, সেই সম্ভাবনাও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। ফলে পার্ক স্ট্রিটের এই ঘটনায় তদন্ত যত এগোবে, মোবাইলগুলির আসল উৎস এবং এই চক্রের সঙ্গে আরও কারও যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।



