Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এখনও অনুষ্ঠিত হয়নি, কিন্তু তার আগেই একগুচ্ছ বিতর্ক ঘিরে ধরেছে এশিয়ার এই ফ্ল্যাগশিপ ক্রীড়া প্রতিযোগিতাকে (Asian Games Pranati Nayak)। অ্যাথলিটদের থাকার জায়গার অভাব থেকে শুরু করে খাবারের খরচ নিজেদের পকেট থেকে চালানো—নানা অভিযোগ উঠছিলই। এবার চরম অব্যবস্থার শিকার হলেন বাংলার তারকা জিমন্যাস্ট প্রণতি নায়েক।
ক্রুজ জাহাজে আবাসন বিভ্রাট (Asian Games Pranati Nayak)
বৃহস্পতিবার জাপানের আইচি-নাগোয়ায় পৌঁছন ভারতীয় জিমন্যাস্টরা। আয়োজকদের তরফে একটি ক্রুজ জাহাজকে অস্থায়ী গেমস ভিলেজ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে সেখানে পৌঁছেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েন প্রণতি নায়েক ও তাঁর কোচ অশোক মিশ্র। তাঁদের দু’জনকে যৌথভাবে একই ঘরে থাকার জন্য বরাদ্দ করা হয়।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর সমাধান (Asian Games Pranati Nayak)
বিষয়টি জানা মাত্রই তীব্র বিব্রতবোধ করেন প্রণতি ও তাঁর কোচ। তাঁরা অবিলম্বে আয়োজকদের কাছে এই ভুলের প্রতিবাদ জানান এবং আলাদা ঘরের দাবি তোলেন। কিন্তু আয়োজকদের তরফ থেকে তৎক্ষণাৎ কোনও সুরাহা করা হয়নি। অবশেষে ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যস্থতায় গভীর রাতে (প্রায় রাত ২টোর সময়) অশোক মিশ্রের জন্য আলাদা ঘরের ব্যবস্থা সম্ভব হয়।
বানান ভুলের খেসারত (Asian Games Pranati Nayak)
হোটেলে পৌঁছনোর পরও ভোগান্তি শেষ হয়নি কোচের। হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, বুকিং তালিকায় তাঁর নাম নেই। পরবর্তীতে অনুসন্ধান করে জানা যায়, তাঁর নামের বানান ভুল থাকার কারণে এই জটিলতা তৈরি হয়েছিল। আন্তর্জাতিক মানের একটি প্রতিযোগিতায় এই ধরণের প্রশাসনিক দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

অন্যান্য দেশের অ্যাথলিটদেরও অসন্তোষ (Asian Games Pranati Nayak)
অবব্যবস্থার ছবি শুধু ভারতীয় জিমন্যাস্টদের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। দক্ষিণ কোরিয়া এবং থাইল্যান্ডের মতো দলগুলোও থাকার জায়গা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ক্রীড়াদল এই এশিয়ান গেমসের আয়োজনকে ‘নিকৃষ্টতম’ বলে আখ্যা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: East Bengal Foreigner: ইউরোপের অভিজ্ঞতা নিয়ে কলকাতায় নতুন বিদেশি ফরোয়ার্ড লাল-হলুদের
শুটিং দলের লবিতে রাতযাপন (Asian Games Pranati Nayak)
এর আগে মঙ্গলবার আইচি-নাগোয়ায় পৌঁছানো ভারতীয় শুটিং দলকেও একই ধরনের হেনস্থার মুখে পড়তে হয় (Asian Games Pranati Nayak)। পৌঁছানোর পর ঘর বরাদ্দ না থাকায় শুটারদের সারারাত হোটেলের লবিতেই কাটাতে হয়। অবশেষে ভোরের দিকে তাঁদের ঘরের চাবি দেওয়া হয়। সাপোর্ট স্টাফদের অবস্থা ছিল আরও করুণ; তাঁদের ঘর পেতে আরও দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। অনুশীলনের নির্দিষ্ট স্থান না জানা এবং একদিনের জন্য সাময়িক হোটেল বরাদ্দের মতো বিষয়গুলো অ্যাথলিটদের মানসিক প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলছে।



