Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: দিল্লিতে (Delhi) ফের এক কিশোরীকে গণধর্ষণের পর নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ উঠল। উত্তর-পশ্চিম দিল্লির স্বরূপ নগরের কুশক রোড এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৭ বছরের এক কিশোরীর পচাগলা দেহ। ঘটনায় ১৯ বছরের এক যুবক এবং তিন নাবালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ।
মূল ঘটনা (Delhi)
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় (Delhi) পরিচিত এক কিশোরের সঙ্গে দেখা করতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ওই কিশোরী। ময়নাতদন্তে তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই নাবালিকা এবং অভিযুক্তরা একে অপরকে চিনত। সে ওই নাবালক-সহ তিন জনের সঙ্গে টেম্পোতে গিয়েছিল। সেখানে এক সঙ্গে মদ্যপানও করে তারা। এর পরেই সেখানে ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে তাকে কুপিয়ে খুনের পরে দেহটি ফেলে দিয়ে আসা হয়। খুন, ধর্ষণ এবং প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করেছে দিল্লি পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ছুরি, পোশাক-সহ বিভিন্ন নমুনা ফরেন্সিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না এবং প্রত্যেক অভিযুক্তের ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: BJP MLA Dilip Ghosh: তৃণমূল এখন নির্মূল: প্রতীক ফ্রিজ কাণ্ডে জোড়াফুলকে নিশানা দিলীপের
সিসিটিভি দেখে মিলল অভিযুক্তের পরিচয়
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে ১৩ সেপ্টেম্বর। স্থানীয়রা সকাল সকাল আচমকা পচা দুর্গন্ধ পেলে উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখতে পান খোলা রাস্তার উপর ক্ষতবিক্ষত, বিকৃত এক মানবদেহ! পচা মাংসের লোভে তা ঘিরে ধরেছে রাস্তার কুকুরগুলি। দেহ থেকে একটি হাত খুলে বেরিয়ে গিয়েছে!। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় দেহ। প্রাথমিকভাবে মৃতার পরিচয় জানা যায়নি। তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে ওঠে CCTV ফুটেজ। এলাকার ৫০টি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ একটি টেম্পোর গতিবিধি চিহ্নিত করে। পরে গাড়ির চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে সন্দেহভাজনদের সম্পর্কে তথ্য মেলে। শেষ পর্যন্ত স্বরূপ নগরের খাড্ডা কলোনি এলাকা থেকে শিবম-সহ চার জনের খোঁজ পায় পুলিশ। খাদ্দা কলোনি এলাকা থেকেই গ্রেফতার করা হয় তাদের। তবে নাবালিকার পরিবারের তরফ থেকে কোনও অভিযোগ জমা হয়নি বলেই জানিয়েছে পুলিশ। পরিবারের লোকজন পুলিশকে জানান যে সে প্রায়দিনই একাই ঘর থেকে চলে যেত। তার কয়েক দিন পরে ফিরেও আসত। এ বারও তাই কেউ কোনও সন্দেহ করেননি।


