Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: রাত ১০টার মধ্যে (Gurugram) বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু আর ফেরা হয়নি। প্রাক্তন সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে গুরুগ্রামে যাওয়ার পরই নিখোঁজ দিল্লির যুবক যুবরাজ সিংহ মানচন্দ। এক সপ্তাহের মাথায় বাড়ির পিছনের নর্দমা থেকে উদ্ধার হল তাঁর পচাগলা দেহ। ঘটনায় প্রাক্তন সহকর্মী অনয়া ভট্ট এবং তাঁর স্বামী সানিয়াম সচদেবকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিখোঁজ যুবরাজ (Gurugram)
পরিবারের কাছে দিনটি শুরু হয়েছিল একেবারেই (Gurugram) স্বাভাবিকভাবে। গত ৬ সেপ্টেম্বর বোনদের সঙ্গে লাজপত নগরে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন যুবরাজ। সেখান থেকে তিনি যান গুরুগ্রামে। সন্ধ্যা ৭টার সময় পরিবারের সঙ্গে শেষবার কথা হয় তাঁর। জানিয়েছিলেন, রাত ১০টার মধ্যেই বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু রাত বাড়লেও যুবরাজের কোনও খোঁজ মেলেনি। ফোনও বন্ধ। উদ্বিগ্ন পরিবার যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়।
প্রাক্তন সহকর্মীকে আটক (Gurugram)
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, গুরুগ্রামে প্রাক্তন সহকর্মী অনয়ার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন যুবরাজ। ২০২২ সালে একটি সংস্থায় একসঙ্গে কাজ করতেন দু’জনে। পরে অনয়াকে ওই সংস্থা থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল বলেও তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। বর্তমানে অনয়া ও তাঁর স্বামী সানিয়াম দু’জনেই বেকার ছিলেন। যুবরাজ নিখোঁজ হওয়ার পর অনয়ার ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার উত্তরাখণ্ড থেকে অনয়া ও সানিয়ামকে আটক করা হয়।
আরও পড়ুন: Mamata TMC Symbol: ‘খেলা হবে’-ই ভরসা, নতুন নাম-প্রতীক পেল মমতা শিবির
অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি
পুলিশের দাবি, জেরায় দম্পতি যুবরাজকে খুন করার কথা স্বীকার করেন। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার গুরুগ্রামের বাদশাহপুর এলাকায় তাঁদের বাড়ির পিছনের একটি নর্দমা থেকে উদ্ধার হয় যুবরাজের দেহ। তদন্তকারীদের কাছে অভিযুক্তদের দাবি, খুনের পর প্রায় সাত ঘণ্টা গাড়িতে করে যুবরাজের দেহ নিয়ে ঘুরেছিলেন তাঁরা। পরে বাড়ির পিছনের নর্দমায় দেহ ফেলে উত্তরাখণ্ডে পালিয়ে যান। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে পুরনো পরিচিতদের মধ্যে তৈরি হওয়া টানাপোড়েনই এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।


