Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুকৃতি ভট্টাচার্য: বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘনীভূত নিম্নচাপ ইতিমধ্যেই ডিপ্রেশনে পরিণত হয়েছে (Arnab Cyclone)। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সিস্টেমটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে এগিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ডিপ ডিপ্রেশনে পরিণত হতে পারে। ফলে আগামী কয়েক দিন পূর্ব উপকূলে আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর বাড়ছে নজর।
২৩ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর গুরুত্বপূর্ণ সময় (Arnab Cyclone)
বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৩ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর ভোরের মধ্যে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে সিস্টেমটি। IMD-এর বুলেটিনে বিশাখাপত্তনম থেকে গোপালপুরের মধ্যবর্তী উপকূল অতিক্রমের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। স্থলভাগে ঢোকার সময় ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির দাপট তৈরি হতে পারে।
‘অর্ণব’ নামটি কোথা থেকে? (Arnab Cyclone)
‘অর্ণব’ নামটি অবশ্যই ঘূর্ণিঝড়ের নির্ধারিত নামের তালিকায় রয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার উত্তর ভারত মহাসাগরীয় তালিকায় বাংলাদেশের দেওয়া নামগুলির মধ্যে ‘Arnab’ রয়েছে। তবে কোনও সিস্টেম ঘূর্ণিঝড়ের নির্দিষ্ট শক্তিতে পৌঁছলে তবেই আরএসএমসি নিউ দিল্লি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করে।
ওড়িশা ও অন্ধ্রে বাড়ছে সতর্কতা (Arnab Cyclone)
সিস্টেমটির সম্ভাব্য গতিপথের কারণে ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় ভারী বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। ফলে মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সমুদ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মানার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাতেও বৃষ্টির দাপট (Arnab Cyclone)
সিস্টেমটির প্রত্যক্ষ প্রভাবের পাশাপাশি এর প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গেও বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়া হতে পারে। IMD-এর ২২ সেপ্টেম্বরের পূর্বাভাসে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।
আরও পড়ুন: Bhangar College: ভাঙড় কলেজে উত্তেজনার পর গ্রেফতার ৪, আদালতে তোলা হবে ধৃতদের
উপকূল থেকে কলকাতা—নজরে পরিস্থিতি
দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলা, বিশেষ করে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার আবহাওয়ার দিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে আগামী ৪৮ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় বিষয় হল নিম্নচাপটির পরবর্তী শক্তিবৃদ্ধি এবং গতিপথ। আবহাওয়া দফতরের পরবর্তী বুলেটিনের উপরই নির্ভর করবে ‘অর্ণব’ আদৌ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে কি না এবং বাংলায় তার প্রভাব কতটা পড়বে।



