Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অসমের নগাঁও লোকসভা উপনির্বাচনের প্রচারকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের কনভয়ে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে (Congress)। ২১ সেপ্টেম্বর সামগুড়ি এলাকার বরমায় কংগ্রেসের প্রচারকর্মসূচিতে যাওয়ার পথে গৌরব গগৈ, ভূপেশ বাঘেল, শিবমনি বোরা-সহ একাধিক নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। কংগ্রেসের দাবি, ঘটনায় একাধিক গাড়ির কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দলের এক নেতা আহত হন।
বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Congress)
এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই পরিকল্পিতভাবে কংগ্রেস নেতৃত্বের উপর এই হামলা চালিয়েছে। যদিও হামলার দায় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে এবং ঘটনার সম্পূর্ণ দায় কার, তা নিয়ে সরকারি তদন্তের চূড়ান্ত ফল এখনও সামনে আসেনি।
মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ (Congress)
শুভঙ্কর সরকার তাঁর বিবৃতিতে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে দাবি করেছেন, তাঁর নির্দেশেই এই হামলা সংগঠিত হয়েছে। তবে এই অভিযোগটি কংগ্রেসের রাজনৈতিক দাবি; এর পক্ষে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন এবং কংগ্রেসের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গণতন্ত্র ও বিরোধী কণ্ঠ নিয়ে প্রশ্ন (Congress)
শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে এই ধরনের হামলার অভিযোগ গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী কণ্ঠস্বরকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে এবং নির্বাচনী রাজনীতিতে হিংসার ব্যবহার কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি (Congress)
ঘটনার পর পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের তরফে কয়েকজনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Bhangar College: ভাঙড় কলেজে উত্তেজনার পর গ্রেফতার ৪, আদালতে তোলা হবে ধৃতদের
শুভঙ্কর সরকার আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে হামলার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত, গ্রেফতার এবং আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনী প্রচারে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু সেই মতপার্থক্য কোনওভাবেই হিংসা বা হামলার রূপ নেওয়া উচিত নয়।



