Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভোটের মরশুমে প্রচারের জন্য রাজনৈতিক দলগুলি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, কেবল নেটওয়ার্ক, বাল্ক এসএমএস এবং সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের মাধ্যমে প্রচার চালায়। সেই প্রেক্ষাপটেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া নির্বাচন কমিশনের একটি তালিকা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে তালিকাটি bangla.aajtak.in স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি। সেই নথিতে ‘মিডিয়া অ্যাডভার্টাইজ়মেন্ট অন জেনারেল পার্টি প্রোপাগান্ডা অথরাইজড বাই পার্টি সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টাস’ শিরোনামে বিভিন্ন প্রচার সংক্রান্ত খরচের উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে (Sayak Chakraborty)।

তালিকায় সায়কের নাম (Sayak Chakraborty)
ভাইরাল হওয়া ওই তালিকায় মোট ৩৬ জনের নাম রয়েছে বলে দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী। তালিকা অনুযায়ী, সায়কের নামে আড়াই লক্ষ টাকা দেওয়ার উল্লেখ রয়েছে। এই তথ্য সামনে আসার পরেই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। বিশেষ করে চলতি বছরের শুরুতে পার্ক স্ট্রিটের একটি রেস্তরাঁকে ঘিরে সায়কের করা অভিযোগের সঙ্গে এই অর্থের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে (Sayak Chakraborty)।
‘অলি পাব’ বিতর্ক আবার আলোচনায় (Sayak Chakraborty)
৩০ জানুয়ারি পার্ক স্ট্রিটের একটি রেস্তরাঁয় দুই বন্ধুর সঙ্গে গিয়েছিলেন সায়ক। তাঁর অভিযোগ ছিল, মাটন স্টেক অর্ডার করা সত্ত্বেও একটি প্লেটে গরুর মাংসের স্টেক পরিবেশন করা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রকাশ্যে সরব হন এবং রেস্তরাঁর এক কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। পরে পার্ক স্ট্রিট থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে ওই কর্মী নাসিমুদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তিনি জামিনে মুক্তি পান। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক সংগঠনগুলির একাংশও প্রতিবাদ জানায়।

‘ওটা ঘটনা, রাজনীতি নয়’, সায়কের দাবি (Sayak Chakraborty)
নতুন বিতর্কের মধ্যেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন সায়ক। তাঁর দাবি, অলি পাবের ঘটনাটি ছিল তাঁর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং সেটিকে রাজনৈতিক প্রচারের সঙ্গে যুক্ত করা ঠিক নয়। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাটি নিয়ে বিজেপি-সহ কিছু পক্ষ তাঁকে সমর্থন করেছিল এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে কনটেন্ট তৈরির প্রস্তাবও পেয়েছিলেন।
বিজেপির হয়ে কী কী কনটেন্ট? (Sayak Chakraborty)
সায়কের বক্তব্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে তিনি বিজেপির হয়ে কিছু কনটেন্ট তৈরি করেছিলেন। তাঁর দাবি, এর মধ্যে ছিল SIR নিয়ে প্রযুক্তিগত ব্যাখ্যা, যুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে একটি ব্যাখ্যামূলক কনটেন্ট এবং বিজেপির প্রচার সংক্রান্ত কিছু পোস্ট। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে এই সংক্রান্ত নথি রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
আরও পড়ুন: Durga Puja 2026: মহালয়ায় ইডেনে মোদী, বিদেশের মাটিতেও দুর্গাপুজোর প্রচার
পুরনো বিতর্কের সঙ্গে নতুন তথ্যের যোগ কোথায়?
সায়কের বক্তব্য, অলি পাবের ঘটনা জানুয়ারির এবং তাঁর রাজনৈতিক প্রচার সংক্রান্ত কাজ মার্চ-মে মাসের। তাই দুটিকে একসঙ্গে দেখানো বিভ্রান্তিকর। তাঁর দাবি, অলি পাবের ঘটনার সঙ্গে বিজেপির হয়ে পরবর্তীতে তৈরি করা কনটেন্টের আর্থিক কোনও সম্পর্ক নেই। ফলে ভাইরাল তালিকা ঘিরে তৈরি হওয়া প্রশ্নের পাশাপাশি সায়কের বক্তব্যও এখন আলোচনার কেন্দ্রে। তালিকাটির সত্যতা ও অর্থপ্রদানের প্রকৃত প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোও সমীচীন নয়।



