Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিহারের এমন এক মন্দির, যেখানে সূর্য (Bihar Forest Temple) ডোবার পর সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ। পাটনা থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে বিহতার কাছে অবস্থিত মা বন দেবীর মন্দিরকে ঘিরে রয়েছে বহু বছরের লোকবিশ্বাস ও নানা কাহিনি। স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী, সন্ধ্যার আরতি শেষ করে পুরোহিত মন্দির চত্বর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর আর কেউ সেখানে প্রবেশ করেন না। মন্দির সংলগ্ন জঙ্গলেও রাতের বেলায় যাতায়াত বন্ধ থাকে।
মন্দিরে ঘুরে বেড়ান বনদেবী (Bihar Forest Temple)
স্থানীয়দের বিশ্বাস, বন দেবী অরণ্যের (Bihar Forest Temple) অধিষ্ঠাত্রী শক্তি। সূর্যাস্তের পর দেবী নাকি মন্দির চত্বরেই অবস্থান করেন এবং জঙ্গলে বিচরণ করেন। অন্ধকার নামার পর এলাকায় অশুভ শক্তির উপস্থিতি রয়েছে-এমন ধারণাও প্রচলিত। তবে এই ধরনের অতিপ্রাকৃতিক বিশ্বাসের পক্ষে কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। মূলত প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা ধর্মীয় বিশ্বাস ও মৌখিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবেই বিষয়টি পরিচিত।

আরও পড়ুন: India Archery Gold: এশিয়াডে তিরন্দাজিতে জোড়া সোনা ভারতের, অলিম্পিক্সের টিকিটও পাকা!
মন্দিরের আরেকটি বিশেষত্ব হল, এখানে প্রচলিত অর্থে কোনও দেবীমূর্তি নেই। একটি পবিত্র পিণ্ডকেই বন দেবীর প্রতীক হিসেবে পুজো করা হয়। জনশ্রুতি অনুযায়ী, বিদ্যানন্দ মিশ্র নামে এক ভক্ত বিন্ধ্যবাসিনী দেবীর উপাসক ছিলেন। বয়সের কারণে বিন্ধ্যাচলে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়লে স্বপ্নাদেশ পেয়ে তিনি একটি পবিত্র পিণ্ড নিজের এলাকায় নিয়ে এসে জঙ্গলের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করেন। সেখান থেকেই বন দেবীর আরাধনার সূত্রপাত বলে স্থানীয়দের দাবি।

