Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বেআইনি ও স্বেচ্ছাচারী কার্যকলাপের অভিযোগ তুলে তাঁর ইস্তফার দাবিতে গাঁধী জয়ন্তীতে দিল্লি ও মুম্বইয়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। তবে কর্মসূচির আগেই প্রশাসনের তরফে কড়া বিধিনিষেধ জারি হওয়ায় নতুন করে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর (Gyanesh Kumar)।

যন্তর মন্তরে জমায়েত ঘিরে কড়া নিরাপত্তা (Gyanesh Kumar)
শুক্রবার দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র, যুব ও নাগরিক সংগঠনগুলির অবস্থান-বিক্ষোভের কর্মসূচি ছিল। কিন্তু দিল্লি পুলিশ সেই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি। পাশাপাশি ১৬৩ ধারা জারি করে যন্তর মন্তর-সহ নয়াদিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
যন্তর মন্তরের আশপাশে সকাল থেকেই দেখা যায় বিপুল পুলিশ ও র্যাফ মোতায়েন। নিরাপত্তার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার উপযোগী ‘মাল্টি ব্যারেল শেল লঞ্চার’ এবং জলকামানবাহী গাড়ি। পুলিশের বক্তব্য, অনুমতি ছাড়া জমায়েত, স্লোগান বা বিক্ষোভ হলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে।
আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা (Gyanesh Kumar)
পুলিশের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এসএফআই সভাপতি আদর্শ এম সাজি এবং আইসা নেত্রী নেহা বোরা জানিয়েছেন, তাঁরা যন্তর মন্তরে কর্মসূচি পালন করবেন। ফলে শুক্রবার দিল্লিতে প্রশাসন ও আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি অবস্থানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে (Gyanesh Kumar)।
নিরাপত্তার কারণে দিল্লি ট্রাফিক পুলিশও কনট প্লেস, পটেল চক, তলস্তয় মার্গ এবং সংসদ ভবন সংলগ্ন এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। যন্তর মন্তরের আশপাশের একাধিক মেট্রো স্টেশনও নিরাপত্তার কারণে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মুম্বইতেও ‘জেল ভরো’ কর্মসূচির ডাক (Gyanesh Kumar)
একই দিনে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে ‘জেল ভরো’ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। সেখানে পুলিশের অনুমতি মেলেনি। প্রশাসনের যুক্তি, ২০১৩ সালের বম্বে হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী শিবাজি পার্কে সাধারণভাবে জমায়েতের উপর বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে আন্দোলনকারীদের নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়েছে, অনুমতি না মিললেও কর্মসূচি থেকে তাঁরা সরে আসছেন না।
কলকাতা-সহ একাধিক শহরে আন্দোলনের পরিকল্পনা (Gyanesh Kumar)
আন্দোলনের পরবর্তী ধাপে কলকাতা, বেঙ্গালুরু ও গোয়াতেও ‘জেল ভরো’ কর্মসূচি করার কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি চলতি মাসের শেষে ফের দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনের পরিকল্পনার কথাও সামনে এসেছে।
বিরোধীদের ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ কর্মসূচি
এই আন্দোলনের আবহেই বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ দেশজুড়ে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। ৮ অক্টোবর জেলা পর্যায়ে পদযাত্রা ও জেলাশাসকের দফতরের সামনে বিক্ষোভের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি ৬ অক্টোবর বিরোধী দলগুলির সাংসদদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের দিকে পদযাত্রার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি আগামী দিনগুলিতে আরও বিস্তৃত হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।



