Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ত্রয়ণ চক্রবর্তী: বাংলা সাহিত্যের পাঠ্যক্রমে কবিতা বাদ দেওয়া ও ফেরানো নিয়ে ফের শুরু হয়েছে আলোচনা (Bengali Syllabus)। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বহুলপঠিত দুই কবিতা ‘আঠারো বছর বয়স’ এবং ‘রবীন্দ্রনাথের প্রতি’ আবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। এই দাবিতে রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সঙ্ঘ’।

যে কবিতা পড়ে বড় হয়েছে এক প্রজন্ম (Bengali Syllabus)
‘আঠারো বছর বয়স’ বাংলা কবিতার এমন একটি সৃষ্টি, যা দীর্ঘদিন ধরে কিশোর-কিশোরীদের কাছে তারুণ্য, সাহস এবং প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে থেকেছে। ‘আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়, পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা’—এই পঙ্ক্তি বহু প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীর মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু ২০১৪ সালের পর মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যক্রম থেকে কবিতাটি বাদ পড়ে। একইভাবে বাদ যায় ‘রবীন্দ্রনাথের প্রতি’ কবিতাটিও।
জন্মশতবর্ষেই কেন উঠল দাবি? (Bengali Syllabus)
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছর সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ পূর্তি হচ্ছে। এমন একটি সময়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ কবিতাগুলিকে ছাত্রছাত্রী এবং বৃহত্তর পাঠকসমাজের নাগালের বাইরে রাখা সমর্থনযোগ্য নয় বলেই দাবি চিঠিদাতাদের। তাই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যক্রমে ওই দুই কবিতা পুনরায় ফিরিয়ে আনার আবেদন জানানো হয়েছে।
পবিত্র সরকার-সহ বিশিষ্টজনের সই (Bengali Syllabus)
সরকারের কাছে পাঠানো চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার এবং রজত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের বক্তব্য, সুকান্তর কবিতা বাংলা সাহিত্য ও সমাজচেতনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফলে কোনও যুক্তিতেই এই কবিতাগুলিকে পাঠ্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া উচিত নয়—এমনই দাবি তাঁদের।
নতুন সিলেবাস ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশা (Bengali Syllabus)
এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের তরফে এই দাবির বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে ইতিমধ্যেই রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ জানিয়েছেন, আগামী দিনে স্কুলের পাঠ্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে। প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে গোটা সিলেবাসই নতুন করে পর্যালোচনা করার কথা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:Cyber Crime: নিউটাউনে আন্তর্জাতিক ফেক কল সেন্টারের হদিস, গ্রেফতার ২৪
২০২৮-এ আমূল বদলের ইঙ্গিত
মন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের সিলেবাসও আরও একবার খতিয়ে দেখা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৮ সালে পাঠ্যক্রমে আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই নতুন সিলেবাস কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক দেবশিস চট্টোপাধ্যায়।



