Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেবযানী সরকার: কেপটাউনে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ কান্ট্রিজ স্পিকার কনফারেন্সে যোগ দিয়ে দেশে ফিরেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু (Rathindra Basu)। আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সম্মেলন থেকে ফিরে এবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভাকে আরও আধুনিক, পরিবেশবান্ধব এবং আকর্ষণীয় করে তোলার পরিকল্পনার কথা জানালেন অধ্যক্ষ।

প্রতিটি অনুষ্ঠানে গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত (Rathindra Basu)
পরিবেশ রক্ষার বার্তা দিতে বিধানসভার প্রতিটি অনুষ্ঠানের সঙ্গে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অন্তত দু’টি করে গাছ লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ। শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে গাছ লাগানো নয়, বিধানসভা চত্বরকে আরও সবুজ করে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি বিধানসভা ভবনে সোলার প্যানেল বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে বিদ্যুতের ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবস্থার দিকে এগোনোর ভাবনা রয়েছে বিধানসভার।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ধাঁচে আধুনিকীকরণ (Rathindra Basu)
পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের পাশাপাশি বিধানসভার পরিকাঠামোকেও নতুন রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের আদলে বিধানসভার বিভিন্ন অংশকে আরও আধুনিক ও আকর্ষণীয় করে তোলার কথা ভাবা হচ্ছে। বিধানসভার ক্যান্টিন এবং লাইব্রেরিকেও নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। আইনসভা ভবনে সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতাকে আরও সুন্দর করে তুলতে বিভিন্ন পরিকাঠামোগত পরিবর্তনের কথাও ভাবা হচ্ছে। এমনকি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ধাঁচে বিধানসভায় গেরুয়া রঙের ভিজিটর কার্ড চালুর বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে।

জলবায়ু পরিবর্তন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Rathindra Basu)
কেপটাউনের সম্মেলনে সমসাময়িক বিশ্বের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, পরিবেশ রক্ষা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি—সবই ছিল আলোচনার পরিধিতে। সেই আন্তর্জাতিক আলোচনা থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা রাজ্যের আইনসভাতেও কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন:Cyber Crime: নিউটাউনে আন্তর্জাতিক ফেক কল সেন্টারের হদিস, গ্রেফতার ২৪

আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার বার্তা
শুধু বিধানসভার আধুনিকীকরণ নয়, আন্তর্জাতিক মঞ্চে পশ্চিমবঙ্গের কথাও তুলে ধরেছেন অধ্যক্ষ। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আটলান্টা এবং লন্ডনে বাঙালি ও অবাঙালি—উভয় সম্প্রদায়ের কাছেই পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে ২২ সেপ্টেম্বর আটলান্টায় প্রথমবারের মতো ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ডে’ পালিত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ফলে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলার সংস্কৃতি, সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরার ক্ষেত্রেও এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।



