Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেবযানী সরকার: ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে (Ritabrata Banerjee)। শুক্রবার নন্দীগ্রামের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, ওই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও ফ্র্যাকচার হয়নি। শনিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে বাঙ্গুর ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সেসের একটি রিপোর্ট দেখিয়ে নিজের দাবির পক্ষে নথি তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথাও জানান।

রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র কটাক্ষ ঋতব্রতের
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারীর প্রকাশ করা রিপোর্ট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর বক্তব্য, ‘‘গেঁটে বাতের জন্য প্লাস্টার হয় বলে জানি না।’’ ঋতব্রতের অভিযোগ, প্রতি নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা ধরনের রাজনৈতিক নাটক তৈরি হয়। সেই প্রসঙ্গেই তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘প্রতিটা নির্বাচনের আগে মেরে ফেলার কথা। উনি একজন কৃতি আর্টিস্ট।’’
‘ধাপ্পশ্রী’ পুরস্কারের প্রস্তাব (Ritabrata Banerjee)
এরপরই আরও তীব্র ব্যঙ্গ করেন ঋতব্রত। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘ধাপ্পশ্রী’ পুরস্কার দেওয়া উচিত। এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি দেওয়ার কথাও জানান তিনি। ঋতব্রতের কথায়, সরকার যেন একটি গণসংবর্ধনার আয়োজন করে। তাঁর প্রস্তাব, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড, ইডেন গার্ডেন্স অথবা হাজরা—এই জায়গাগুলির কোনও একটিতে অনুষ্ঠান করে পুজোর আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘ধাপ্পশ্রী’ পুরস্কার দেওয়া হোক।

জয়রাম রমেশকেও রিপোর্ট পাঠানোর দাবি (Ritabrata Banerjee)
শুধু রাজ্য রাজনীতির মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ রাখেননি ঋতব্রত। তিনি জানান, কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশকেও ওই রিপোর্ট হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাবেন। তাঁর বক্তব্য, এই নথি সামনে আসার পর ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-পর্ব নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন: Suvendu on Mamata: মমতার পায়ে “ভুয়ো” চোট, তদন্তের দাবি শুভেন্দুর
২০২১-এর ঘটনাই ফের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে
২০২১ সালের ১০ মার্চ নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে প্রচারের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাম পায়ে চোট লাগে। পরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং প্লাস্টার করা পায়ে হুইলচেয়ারে বসেই তিনি নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর শিবিরের তরফে গুরুতর চোটের কথা জানানো হয়েছিল।



