Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জিয়ারুল হক, জলপাইগুড়ি: পাহাড়ে টানা বৃষ্টির জেরে (Neora River Erosion) উত্তরবঙ্গের প্রায় সমস্ত পাহাড়ি নদীতেই জলস্ফীতি দেখা দিয়েছে। জলঢাকা, ডায়না, চেল, ঘিস, ডুডুয়া, গিলান্ডি, বামনি-সহ একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়ছে। একই পরিস্থিতি নেওরা নদীতেও। আর সেই বাড়তি জলই এখন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মালবাজার মহকুমার মাঠিয়ালি ব্লকের বিধাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাটইগোল বস্তি এলাকায়।
তীব্র ভাঙন (Neora River Erosion)
গ্রাম ঘেঁষে বয়ে যাওয়া নেওরা নদীতে জল বাড়ার (Neora River Erosion) সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। নদীর খরা স্রোত ক্রমশ এগিয়ে আসছে বসতবাড়ি ও একটি রিসর্টের দিকে। স্থানীয়দের দাবি, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে যেকোনো সময় নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে বাড়িঘর ও পর্যটন কেন্দ্র। আতঙ্কে বহু পরিবার রাত জেগে নদীর পাড়ে নজরদারি চালিয়েছেন।
বাঁধ নির্মাণের দাবি (Neora River Erosion)
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় নদী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছিল। বিগত সরকারের কাছে একাধিকবার আবেদন করা হলেও কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। নির্বাচনের আগে আশ্বাস মিললেও বাস্তবে কাজ শুরু হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষার শুরুতেই নতুন করে আতঙ্কে দিন কাটাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

এলাকার মানুষের আশঙ্কা, ভুটান, সিকিম এবং দার্জিলিং পাহাড়ে যেভাবে লাগাতার বৃষ্টি চলছে, তাতে আগামী কয়েক দিনে নেওরা নদীর জলস্তর আরও বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে ভাঙনের মাত্রাও ভয়াবহ আকার নিতে পারে। তাই বর্তমান রাজ্য সরকারের কাছে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও নদী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন: Maheshtala Protest: মহেশতলায় তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে বিক্ষোভ, ‘চোর চোর’ স্লোগানের মাঝে ডিম বৃষ্টি!
ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাড়ির মালিক ও রিসর্ট মালিক নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র সরে গিয়েছেন।
তবে এই ঘটনার পর নতুন করে উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্নও। নদীর এত কাছাকাছি কীভাবে বসতবাড়ি ও রিসর্ট নির্মাণের অনুমতি মিলল? নির্মাণের সময় পরিবেশ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম কতটা মানা হয়েছিল? সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।


