Last Updated on [modified_date_only] by Ananya Dey
কেটিভি বাংলা ডিজিটাল : নির্বাচনের ২৪ ঘণ্টা আগে সুপ্রিম স্বস্তি নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের (Milan Pradhan)। হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী জামিন খারিজের রাজ্যের আবেদনে সাড়া দিল না সুপ্রিম কোর্ট। ‘আপাতত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন মিলন প্রধান। তবে ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ হয়, তা নজরে রাখতে হবে’- স্পষ্ট নির্দেশ প্রধান বিচারপতির। নির্বাচনের পরে এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানিয়ে দিল সুপ্রিমকোর্ট।
হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টে রাজ্য (Milan Pradhan)
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে (Milan Pradhan) আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। সোমবার সেই মামলায় মিলন প্রধানের কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিন খারিজের রাজ্যের আবেদনে সাড়া দিল না শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর বেঞ্চ নির্দেশ দিল, ‘আপাতত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন মিলন প্রধান (Milan Pradhan)। তবে ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ হয়, তা নজরে রাখতে হবে।’ ফলে বহাল রইল কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী জামিন। উপনির্বাচনের ২৪ ঘণ্টা আগে বড় স্বস্তি নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের কংগ্রেস প্রার্থীর। নির্বাচনের পরই এই মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুন : Nandigram PS IC: ভোটের আগের দিন নন্দীগ্রামের আইসি বদল!
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুললেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। ১৯ বছরের পুরনো মামলায় জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও কেন এতদিন গ্রেফতার করা হয়নি সেই নিয়ে এদিন প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘এখানে পুলিশের বিরুদ্ধেই তো ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ। এত বছরের পুরনো অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা যদি জারি থাকে তাহলে এত বছর পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি কেন? প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সকলের সমান দায়িত্ব থাকা উচিৎ।’
আরও পড়ুন : Dengue Risk: শরতে ডেঙ্গির দাপট, চার দিনের পরিসংখ্যানে বাড়ল চিন্তা!
রাজ্যের কাছে প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন
সোমবার শুনানিতে রাজ্যের হয়ে সওয়াল করা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, ‘অভিযুক্তর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। খুন, অপহরণ, বোমা ছোড়ার মতো অভিযোগ রয়েছে।’ রাজ্যের আইজিবি র এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেন মিলন প্রধানের আইনজীবী অভিষেক মনুসিংভি। তখন প্রধান বিচারপতি রাজ্যের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘এটা অনেক পুরনো মামলা। ২০০৭ সালের ঘটনা। এতদিন আপনারা কী করছিলেন? জমি আন্দোলন সংক্রান্ত বিষয়। ৬৬ জনের বিরুদ্ধে একসঙ্গে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল।’


