Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজাবাজার থেকে বিরোধীদের মিছিলকে কেন্দ্র করে ফের সামনে এল মিছিলের অনুমতি, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের প্রশ্ন (Kolkata Police)। পুলিশের বক্তব্য, গণতান্ত্রিকভাবে মিছিল করার অধিকার সকলেরই রয়েছে। তবে সেই অধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মেনে চলা জরুরি। কোথা থেকে মিছিল শুরু হবে, কোথায় শেষ হবে, কত মানুষ অংশ নেবেন—এই সমস্ত বিষয় আগে থেকেই পুলিশ ও প্রশাসনকে জানানো প্রয়োজন।
অনুমতি ছাড়া মিছিল হলে তৈরি হতে পারে অরাজকতা (Kolkata Police)
পুলিশের মতে, একটি মিছিলের কারণে যাতে অন্য কোনও মিছিল, অনুষ্ঠান কিংবা সাধারণ মানুষের চলাচলে সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। তাই মিছিলের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া উচিত। নিয়ম না মানলে পরিস্থিতি অশান্ত হতে পারে এবং তৈরি হতে পারে যানজট ও বিশৃঙ্খলা। পুলিশের দাবি, সামাজিক মাধ্যমে কোনও কর্মসূচি ঘোষণা করলেই সেটিকে অনুমোদিত মিছিল হিসেবে বিবেচনা করা সম্ভব নয়।
অধিকারের সঙ্গে রয়েছে দায়িত্বও (Kolkata Police)
পুলিশের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, মিছিল করার অধিকার যেমন রয়েছে, তেমনই রাস্তা ব্যবহারকারী অন্য সাধারণ মানুষেরও নিজস্ব অধিকার রয়েছে। তাই দু’পক্ষের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই মূল লক্ষ্য। সেই ভারসাম্য নষ্ট হলে যানজট, জনদুর্ভোগ এবং আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হতে পারে।
পুজোয় ট্রাফিক সামলাতে ৬ হাজার পুলিশকর্মী (Kolkata Police)
দুর্গাপুজোর সময়ে কলকাতার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ আরও বড় চ্যালেঞ্জ। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, পুজোর ভিড় সামলাতে প্রায় ৬ হাজার পুলিশকর্মী, সিভিক ট্রাফিক কর্মী ও হোমগার্ড মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি শপিং মল, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটপ্লেসগুলিতেও অতিরিক্ত নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সিনিয়র ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পথচারী ও গাড়ির চলাচলে আলাদা নজর (Kolkata Police)
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল পথচারী এবং যানবাহনের চলাচলকে পৃথকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। প্রয়োজন অনুযায়ী নো-পার্কিং, নো-এন্ট্রি, ব্যারিকেডিং এবং নির্দিষ্ট ক্রাউড ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পুজোমণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘ক্রাউড সার্কুলেশন প্ল্যান’-কেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: CJP Protest: ভারতের CJP আন্দোলনে বাংলাদেশের মদত? সারজিসের সমর্থন, বিস্ফোরক দাবি দিলীপের
চতুর্থী থেকেই কার্যকর পুজো পুলিশ ব্যবস্থা
পুলিশ জানিয়েছে, পুজোর বিশেষ পুলিশ অ্যারেঞ্জমেন্ট ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে এবং চতুর্থী থেকেই তা কার্যকর হবে। নিরাপদে দর্শনার্থীদের যাতায়াত এবং শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক রাখাই এই ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি পুজোর গাইডম্যাপ তৈরিতে সহযোগিতার জন্য ইন্ডিয়ান অয়েলকেও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।



