Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলা বাণিজ্যিক ছবির (DESU 7 Film Review) দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করা সহজ কাজ নয়। তার উপর পরিচালকের দায়িত্ব সামলে নিজের অভিনয়েও নজর কাড়া, নিঃসন্দেহে বড় চ্যালেঞ্জ। ‘দেসু৭’-এর মাধ্যমে সেই চ্যালেঞ্জই গ্রহণ করেছেন দেব। আর বলতে দ্বিধা নেই, পরিচালকের আসনে তাঁর প্রথম পদক্ষেপ বেশ আত্মবিশ্বাসী।
অ্যাকশনের দাপট (DESU 7 Film Review)
ছবির শুরু থেকেই অ্যাকশনের (DESU 7 Film Review) দাপট, গল্পের একাধিক স্তর এবং আকস্মিক মোড় দর্শককে ব্যস্ত রাখে। সঙ্গে দুর্দান্ত ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর, ক্যামেরার কাজ এবং সম্পাদনা ছবির গতি বাড়িয়েছে। প্রযোজনার ক্ষেত্রেও কার্পণ্য চোখে পড়ে না। গানের দৃশ্যগুলিতে মনোরম লোকেশন ছবিকে দিয়েছে বাড়তি আকর্ষণ। নিলায়নের ‘ইলিশ-চন্দনা’ও বড়পর্দায় বেশ উপভোগ্য।
ফাটাফাটি অনির্বাণ (DESU 7 Film Review)
তবে ছবির অন্যতম বড় সম্পদ (DESU 7 Film Review) অনির্বাণ ভট্টাচার্য। তাঁর চরিত্রের নির্মাণ এবং অভিনয়ের বৈচিত্র্য গল্পে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। প্রতিটি স্তরে নিজেকে নতুনভাবে মেলে ধরেছেন তিনি। অন্যদিকে প্রদীপ ভট্টাচার্যের অভিনয় ও পর্দায় উপস্থিতি বাণিজ্যিক ছবির উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
অভিনেতা হিসেবেও দেব যথেষ্ট সাবলীল। বিশেষ করে অ্যাকশন দৃশ্যগুলিতে তাঁর পরিশ্রম স্পষ্ট। নিজের অভিনয়কে পরিচালনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটাও প্রশংসনীয়।
তবে কিছু খামতিও রয়েছে। দেব-শুভশ্রী জুটির প্রত্যাবর্তন আবেগ তৈরি করলেও, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের ডা. শুভস্মিতা চরিত্রটি আরও গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলার সুযোগ ছিল। পুরনো প্রেমের দ্বন্দ্ব এবং অন্যান্য চরিত্রের আবেগকে বেশি গুরুত্ব দিলে গল্পটি আরও শক্তিশালী হতে পারত। অ্যাকশন ও একাধিক টুইস্টের ভিড়ে কোথাও কোথাও মূল আবেগের সংযোগ দুর্বল হয়েছে। শু এখানে নাম মাত্র।
আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: চোরবাগানকাণ্ডের ছায়া বিজয়া সম্মেলনীতে, আড়ম্বর বাতিলের সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর!
সব মিলিয়ে, কিছু চিত্রনাট্যগত অসংগতি সত্ত্বেও ‘দেসু৭’ বাংলা বাণিজ্যিক ছবির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সংযোজন। পরিচালক দেবের এই শুরু ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রত্যাশা বাড়ায়। আর ছবির নামের মধ্যেও যে রয়েছে বিশেষ চমক, তা জানতে হলে বড়পর্দায় ছবিটি দেখতেই হবে।


