Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রবিবার রাত প্রায় ৮টা নাগাদ দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর এলাকায় সিপিআইএমের পার্টি অফিস এবং বুক স্টলে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় (Rabindranaga)। মহেশতলা ১ এরিয়া কমিটির অন্তর্গত সন্তোষপুর-বেলতলা ৬ নম্বর পার্টি অফিস এবং সন্তোষপুর রেলগেট সংলগ্ন সিপিআইএমের বুক স্টলকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ দলের।
পার্টি অফিসে ভাঙচুর, ছড়িয়ে নথিপত্র (Rabindranaga)
সিপিআইএমের অভিযোগ, হামলাকারীরা পার্টি অফিসে ঢুকে টেবিল, চেয়ার, পাখা এবং আলমারি ভাঙচুর করে। অফিসের ভিতরে বিভিন্ন কাগজপত্র, বই-খাতা এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। আচমকা এই হামলার ঘটনায় দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
৫০ বছরের পুরনো বুক স্টলেও হামলার অভিযোগ (Rabindranaga)
শুধু পার্টি অফিস নয়, সন্তোষপুর রেলগেট সংলগ্ন সিপিআইএমের দীর্ঘদিনের পুরনো বুক স্টলেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। দলের দাবি, প্রায় ৫০ বছরের পুরনো এই বুক স্টলটি এলাকায় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক চর্চার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। সেখানে হামলার ঘটনায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে দলের কর্মীদের মধ্যে।
বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ সিপিআইএমের (Rabindranaga)
ঘটনার পর সিপিআইএমের পক্ষ থেকে সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাদের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিজেপির পক্ষ থেকেও এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগের বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার দাবি
সিপিআইএমের দাবি, হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসার জন্য নাদিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পার্টি অফিস এবং বুক স্টলে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রবীন্দ্রনগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।
আরও পড়ুন: South 24 Parganas: আট মাসের ব্যবধানে ফের নাজিরাবাদের মোমো গোডাউনে আগুন!
তদন্তেই উঠবে আসল সত্য?
এই হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে, কেনই বা পার্টি অফিস ও পুরনো বুক স্টলকে নিশানা করা হল—তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে সিপিআইএম। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা এলাকা। তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত।



