Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সামনেই দীপাবলি ও ছট পুজো। উৎসবের আনন্দে বাজি পোড়ানোর প্রবণতা থাকলেও তার জেরে প্রতিবছরই বাড়ে বায়ু ও শব্দদূষণ (Diwali)। সেই সঙ্গে শিশু, প্রবীণ, অসুস্থ মানুষ এবং পশুপাখিদের উপরও পড়ে বিরূপ প্রভাব। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবার একাধিক কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। পালাবদলের পর বিজেপি সরকারের আমলে এটাই প্রথম দীপাবলি হওয়ায় দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজরও বিশেষভাবে রয়েছে।
দীপাবলিতে মাত্র দু’ঘণ্টা, ছটে দু’ঘণ্টা বাজির অনুমতি (Diwali)
সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, দীপাবলির দিন সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্তই বাজি পোড়ানো যাবে। অন্য কোনও দিনে দীপাবলির নামে বাজি পোড়ানোর অনুমতি থাকছে না। ছট পুজোর দিন সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানো যাবে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে বাজি ফাটালে তা নিয়মভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে।
শুধু গ্রিন ক্র্যাকার্স, শব্দেও বেঁধে দেওয়া হল সীমা (Diwali)
প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, শুধুমাত্র পরিবেশবান্ধব বা গ্রিন ক্র্যাকার্স ব্যবহার করা যাবে। নিষিদ্ধ বা সাধারণ বাজি বিক্রি ও ব্যবহার করা যাবে না। শব্দের মাত্রার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সীমা রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ ১২৫ ডেসিবেল পর্যন্ত শব্দের বাজি ব্যবহারের কথা জানানো হয়েছে। আলো বাজির ক্ষেত্রে শব্দমাত্রা ৯০ ডেসিবেলের মধ্যে রাখার নির্দেশ রয়েছে।
হাসপাতাল-বৃদ্ধাশ্রমের ১০০ মিটারের মধ্যে বাজি নয় (Diwali)
হাসপাতাল, অনাথ আশ্রম ও বৃদ্ধাশ্রমের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও ধরনের বাজি পোড়ানো যাবে না। চিকিৎসাধীন রোগী, শিশু ও প্রবীণদের কথা মাথায় রেখেই এই বিধিনিষেধ। পাশাপাশি পোষ্য ও অন্যান্য পশুপাখির উপর বাজির শব্দ ও ধোঁয়ার ক্ষতিকর প্রভাবের বিষয়েও সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়েছে।
নজরদারিতে কন্ট্রোল রুম, পথে মোবাইল ভ্যান (Diwali)
নিয়ম কার্যকর করতে ৭, ৮ ও ৯ নভেম্বর বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরবে মোবাইল নজরদারি ইউনিট। একইসঙ্গে জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদেরও কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেআইনি বাজি তৈরি, মজুত ও বিক্রির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিয়েছে সরকার।
আরও পড়ুন: North Bengal: ভুটানের বিপর্যয়ের প্রভাব সংকোশে, মরা মাছ ঘিরে আতঙ্ক
নিয়ম ভাঙলে অভিযোগ কোথায়?
কোথাও নিষিদ্ধ বাজি পোড়ানো হলে বা নির্ধারিত সময়ের বাইরে বাজি ফাটানো হলে সাধারণ মানুষ অভিযোগ জানাতে পারবেন ০৩৩-২২০২৩০৫৭ নম্বরে। এছাড়াও ১৮০০৩৪৫৩৩৯০ টোল-ফ্রি নম্বরেও অভিযোগ জানানো যাবে। ফানুস ও আকাশপ্রদীপ ওড়ানোর ক্ষেত্রেও সতর্কতা জারি হয়েছে। বিশেষ করে ফানুস ওড়াতে দমকলের অনুমতির প্রয়োজন হবে।



