Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চোরবাগানের দুর্গাপুজোর মণ্ডপে পদপিষ্ট (Naihati Boro Maa Puja) হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর কালীপুজোয় ভিড় নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সতর্ক প্রশাসন। উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটির ঐতিহ্যবাহী বড়মার পুজোয় প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়। সেই ভিড় সামলাতে এবার একাধিক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। মন্দিরে প্রবেশ ও বেরনোর জন্য আলাদা পথ নির্দিষ্ট করা হচ্ছে। পাশাপাশি থাকছে না কোনও বিশেষ ভিআইপি প্রবেশের ব্যবস্থা।
চলছে বিশেষ নজরদারি (Naihati Boro Maa Puja)
সোমবার বড়মার মন্দির চত্বর পরিদর্শন (Naihati Boro Maa Puja) করেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শিল্পা গৌরীসারিয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রশাসনিক আধিকারিক, পুলিশকর্মী এবং পুজো কমিটির সদস্যরা। পরিদর্শনের পর নিরাপত্তা ও দর্শনার্থীদের যাতায়াত নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন জেলাশাসক। সরু রাস্তায় যাতে প্রবেশ ও বেরনোর মুখে ভক্তদের ভিড় একসঙ্গে জমে না যায়, সে বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী পুজোর দিনগুলিতে যান চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
আরও পড়ুন: Murasu Cyclone: ধেয়ে আসছে মুরাসু, তামিল এই নামকরণের নেপথ্যের কারণ জানা আছে?
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এনডিআরএফ মোতায়েনের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। স্নান সেরে পুজো দিতে আসা ভক্তদের যাতায়াতের দিকেও নজর রাখবে প্রশাসন।
২০২৬ সালে নৈহাটির বড়মার পুজো ১০৩ বছরে পা দিচ্ছে। নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, ২ থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত দান ও মানসিক পুজো গ্রহণ করা হবে। ৬ থেকে ৮ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে পুজো। ৭ ও ৮ নভেম্বর দেবীকে গয়নায় সাজানো হবে। ৮ নভেম্বর রাতে ঘট প্রতিষ্ঠা, মধ্যরাত থেকে পুজো এবং পরে অঞ্জলি ও প্রসাদ বিতরণের আয়োজন রয়েছে।
চোরবাগানের ঘটনার পর বড়মার পুজোয় নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল দর্শনের ব্যবস্থাই এবার প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।


