Last Updated on [modified_date_only] by Anustup Roy Barman
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: গত বছরের শেষের দিকেই শুরু হয়েছে ‘রাঙামতি তীরন্দাজ’ (Rangamati Tirandaj)। অল্পদিনেই দর্শকদের নজর কেড়েছে এই ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকের দুই মুখ্য চরিত্র রাঙামতি (Rangamati) এবং একলব্যের (Eklavya) ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে মনীষা মন্ডল (Manisha Mandal) এবং নীলাঙ্কুর মুখোপাধ্যায়কে (Nilankur Mukhopadhyay)। দু’জনের সম্পর্কের বন্ডিং কেমন? কথা প্রসঙ্গে উঠে এল, মনীষা নাকি খুব বাধ্য মেয়ে! ট্রাইব টিভির সঙ্গে আড্ডায় শেয়ার করলে নানান অজানা কথা।
মনীষাকে কীভাবে গাইড করেন নীলাঙ্কুর? (Rangamati Tirandaj)
ইন্ডাস্ট্রিতে নীলাঙ্কুর মনীষার সিনিয়র (Rangamati Tirandaj)। এক্ষেত্রে মনীষা বলেন, “কাজের ক্ষেত্রে নীলাঙ্কুর দা প্রচুর অ্যাডভাইস দেয়। আমি তো কিছুই জানতাম না। যখন প্রথম দিকে এসেছিলাম, ক্যামেরার কোন দিকে লুক দিতে হয় ভালো বুঝতাম না।” অপরদিকে নীলাঙ্কুরের বক্তব্য, “সিনের জন্য আমার মনে হয় যতটুকু না বললেই নয়, আমি ততটুকু মনীষাকে বলি। তারপর আমি ওটা ওর উপর ছেড়েদি।”
জানা এবং না জানার মধ্যে পার্থক্য (Rangamati Tirandaj)
টলি ইন্ডাস্ট্রিতে এর আগেও ধারাবাহিকে নায়কের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে নীলাঙ্কুরকে (Rangamati Tirandaj)। অভিনেতার আগের কাজ মনীষার সেভাবে দেখা হয়নি। যদিও নীলাঙ্কুর বিগত কাজের দিকে খুব একটা ফিরে তাকান না। তবে অভিনেতার বক্তব্য, “যদি আমার নিজস্ব কোনও ভালোলাগা থাকে, তবে সেটা আমার মনের মধ্যে থেকে যায়। তবে আমি আশা করি না যে কেউ আমার কাজ দেখে আসবে। এটা ভাবা মানে, একটা বোঝা চাপিয়ে দেওয়া। কারণ আমার বিপরীত দিকে মানুষটা যদি আমাকে নতুন হিসেবে দেখে, আমিও তাকে নতুন হিসেবে দেখি। কিছু কিছু কাজের ক্ষেত্রে জানা এবং না জানার মধ্যে পার্থক্য থাকে। সেটা আমিও পেয়ে এসেছি।”
আরও পড়ুন: Thakurpukur accident: “চ্যানেলের বারণ ছিল”, প্রতিবাদ করতে গিয়েই কাজ হারালেন স্যান্ডি!

নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন নীলাঙ্কুর !
অভিনেতার কথায়, “আমি ভাগ্যবান যে প্রথম আমি যখন হিরো হিসেবে সিরিয়াল করি, তখন আমি প্রিয়াকে পেয়েছিলাম। সেই সময় প্রিয়া আমাকে অনেকটাই সামলে ছিল। আমি প্রিয়ার থেকে বয়সে বড় ছিলাম। তার সত্বেও প্রিয়া আমাকে সামলে ছিল। ও আমাকে ফ্রেশার হিসেবে দেখেছিল, আমিও ওকে ফ্রেশার হিসেবে দেখেছিলাম। সেই সময় আমাদের সিরিয়ালটা সাকসেসফুল হওয়ার পরেও, প্রিয়া নিজের পা সব সময় মাটিতেই রেখেছিল। এটা খুব কম দেখা যায়। এই বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে একটা মানুষের চরিত্রায়নের ক্ষেত্রে। ওই জিনিসটা আমি ওর থেকে শিখেছি। তাই আমি সবসময় সবাইকে ফ্রেশার হিসেবে ট্রিট করি। কোনদিনও আশা করি না, কেউ আমার কাজটা দেখে এসে আমার সঙ্গে কথা বলবে।”
আরও পড়ুন: Aarii Trailer: মায়ের জন্য দিশেহারা যশ! দেখে চোখে জল নুসরতের
বাধ্য মেয়ে মনীষা!
রাঙামতি কি এখন একলব্যের থেকে কিছু শিখছে? এক্ষেত্রে অকপটে অভিনেতা বলেন, “না না, একেবারেই নয়। আমি হয়ত একজন ভালো ছাত্র, তবে আমি ভালো শিক্ষক নই। তাই আমি আশাও করি না যে, আমি মনীষাকে শেখাব, আর ও শিখবে।” আড্ডার মাঝে মনীষা বলেন “আমি খুব বাধ্য মেয়ে।” অভিনেত্রীর কথায় “নীলাঙ্কুর দার একটা জিনিস খুব ভালো। সব জিনিস খুব ভালো ভাবে অবজার্ভ করে। দেখে শেখার বিষয়টা ওনার মধ্যে রয়েছে। আমিও চেষ্টা করি সেটা করার।”


