Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: আজকের ব্যস্ত জীবনে ফিট থাকতে (Calorie Tracking App) বা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেকেই নিয়মিত ডায়েট মেনে চলেন। সেই সঙ্গে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিভিন্ন ক্যালোরি ট্র্যাকিং অ্যাপ, যেগুলোর মধ্যে অনেকেই এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে খাবারের ছবি দেখে তা বিশ্লেষণ করতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই অ্যাপগুলি কি সত্যিই নির্ভরযোগ্য?
ক্যালোরি মাপার সুবিধা (Calorie Tracking App)
দৈনন্দিন খাবারে ক্যালোরির পরিমাণ জানা থাকলে একজন ব্যক্তি (Calorie Tracking App) তাঁর খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন। কেউ প্রয়োজনের তুলনায় কম ক্যালোরি নিচ্ছেন, কেউ হয়তো অজান্তেই অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ করছেন। তাই ক্যালোরি ট্র্যাকিং অ্যাপগুলি প্রাথমিকভাবে এক ধরণের দিশা দেখায়, বিশেষ করে যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান বা কোন খাদ্য বেশি পুষ্টিকর, তা জানতে চান।
কিন্তু অ্যাপ কতটা নির্ভরযোগ্য? (Calorie Tracking App)
এইসব অ্যাপে অনেক সময় খাবারের নাম বা উপাদান লিখলেই তার ক্যালোরি (Calorie Tracking App) ও পুষ্টিগুণ দেখায়। কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে, অ্যাপের তথ্য সবসময় নির্ভুল নাও হতে পারে। কারণ প্রতিটি অ্যাপের নিজস্ব ডেটাবেস থাকে এবং সেখানে ব্যবহৃত পরিসংখ্যান একে অপরের থেকে আলাদা। তাই এক খাবার থেকে দুই ভিন্ন অ্যাপে পাওয়া ক্যালোরির অঙ্কও ভিন্ন হতে পারে। বিশেষ করে ছবি তুলে বা এআই প্রযুক্তির সাহায্যে অনুমান করা হলে ছোট পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। সেই কারণে, অ্যাপ ব্যবহারের পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের উচিত একটি ছোট ইলেকট্রনিক কিচেন স্কেল ব্যবহার করে খাবারের ওজন মেপে নেওয়া, যাতে আরও সঠিক তথ্য পাওয়া যায়।

কোন অ্যাপ বেছে নেবেন?
বর্তমানে গুগল প্লে স্টোর বা আইওএস অ্যাপ স্টোরে কয়েক হাজার ক্যালোরি ট্র্যাকিং অ্যাপ রয়েছে। সেক্ষেত্রে অ্যাপটি বেছে নেওয়ার আগে ব্যবহারকারীদের রিভিউ ও ইউটিউবে রিভিউ ভিডিও দেখা বুদ্ধিমানের কাজ। শুধু জনপ্রিয়তা নয়, তথ্যের নির্ভুলতাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন: Contact Lense Care: বর্ষায় কনট্যাক্ট লেন্স? এক ভুলেই চোখে সংক্রমণের ভয়!
ক্যালোরি নিয়ে অতিরিক্ত ভাবনা কি বিপজ্জনক?
হ্যাঁ, অতিরিক্ত সচেতনতা কখনও কখনও মানসিক চাপ ও খাবার সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাবের জন্ম দিতে পারে। পুষ্টিবিদরা বলেন, ক্যালোরির পাশাপাশি সুষম আহার, নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত।


