Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: দুর্গাপুজোর ঢাকে কাঠি (Navaratri 2025) পড়লেই শুরু হয়ে যায় নবরাত্রির উৎসব। হিন্দু ধর্মে এই নয়দিন ব্যাপী উৎসবের রয়েছে আলাদা মাহাত্ম্য। দেবী দুর্গার নয়টি ভিন্ন রূপ। প্রতিদিন একেকটি রূপে পুজিত হন মা। চৈত্র ও আশ্বিন মাসে বছরে দু’বার এই নবরাত্রি পালিত হলেও শরৎকালীন নবরাত্রি ঘিরে থাকে সবচেয়ে বেশি উন্মাদনা, কারণ এর সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো।
প্রথম দিন – শৈলপুত্রী (Navaratri 2025)
নবরাত্রির সূচনা হয় মা শৈলপুত্রীর পুজোর মধ্য (Navaratri 2025) দিয়ে। মাতা সতীর পুনর্জন্মের এই রূপ পাহাড়রাজ হিমালয়ের কন্যা। তাঁর ডান হাতে থাকে ত্রিশূল এবং বাম হাতে পদ্ম। মাথায় অর্ধচন্দ্র এবং বাহনে স্বয়ং নন্দী।
দ্বিতীয় দিন – ব্রহ্মচারিণী (Navaratri 2025)
এই রূপে দেবীকে দেখা যায় সাধনা ও আত্মত্যাগের (Navaratri 2025) প্রতীক হিসাবে। তিনি এক হাতে ধারণ করেন জপমালা এবং অপর হাতে কমণ্ডলু। শান্তি, তপস্যা ও মোক্ষের অধিষ্ঠাত্রী এই দেবী।
তৃতীয় দিন – চন্দ্রঘণ্টা (Navaratri 2025)
তাঁর নামেই বোঝা যায় মাথায় থাকে অর্ধচন্দ্রের আকারে ঘণ্টা। এই রূপে তিনি রণরঙ্গিণী, সাহস ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
চতুর্থ দিন – কুষমুন্ডা
সৃষ্টির আদিতে যিনি অন্ধকার সরিয়ে আনেন আলো—তিনি কুষমুন্ডা। তাঁর আটটি হাত, তাই তিনি অষ্টসিদ্ধিধাত্রী নামে পরিচিত। বাহনে সিংহ।
পঞ্চম দিন – স্কন্দমাতা
এই রূপে দেবী কার্তিকের মা। তিনি চতুর্ভূজা, এবং সিংহবাহিনী। মাতৃত্ব এবং রক্ষার শক্তি হিসাবে পূজিত হন।
ষষ্ঠ দিন – কাত্যায়নী
এই রূপেই মহিষাসুর বধ করেছিলেন দেবী। তিনি শক্তির চূড়ান্ত রূপ। কাত্যায়ন ঋষির আশ্রমে জন্ম নেওয়া বলে তাঁর এই নাম।
সপ্তম দিন – কালরাত্রি
ভীষণ, ভয়ঙ্কর কিন্তু আশীর্বাদদাত্রী রূপ এই কালরাত্রি। এই রূপে তিনি শম্ভু ও নিষম্ভুকে সংহার করেন। বাহনে গাধা।
আরও পড়ুন: Durga Puja 2025 Weather: পুজোয় ভাসবে বাংলা? নিম্নচাপের ঘনঘটা দেখে চিন্তায় বাঙালী!
অষ্টম দিন – মহাগৌরী
শান্ত, ধ্যানমগ্ন এবং শুভ্রবর্ণা এই রূপে মা দুর্গা মহাগৌরী নামে পূজিত হন। বুদ্ধি, সৌন্দর্য এবং স্থিতির প্রতীক।
নবম দিন – সিদ্ধিদাত্রী
নবরাত্রির শেষ দিনে মা পূজিত হন সিদ্ধিদাত্রী রূপে। চতুর্ভূজা এই দেবী সিদ্ধি ও সফলতা প্রদান করেন। তিনি ঈশ্বরের আদ্যশক্তি।


