Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স (জিএসটি) কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণার পর বিরোধীরা সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেও, পাল্টা জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন(Nirmala Sitharaman)। তিনি অভিযোগ খণ্ডন করে বলেন, বিরোধীরা তথ্য না জেনেই সমালোচনা করছেন। তাঁর কথায়, “উচ্চ হারের জন্য আমরাই দায়ী নই। পুরনো কর ব্যবস্থাই সেই হারগুলো বহন করে এনেছিল।”
‘অজ্ঞতার পরিচয় দিচ্ছে বিরোধীরা’ (Nirmala Sitharaman)
সীতারামন দাবি করেছেন, বিরোধীরা সংস্কার নিয়ে মন্তব্য করলেও তাঁদের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে উঠছে বিষয়টির প্রতি অজ্ঞতা(Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, “যথাযথ হোমওয়ার্ক না করেই বিরোধীরা বড় বড় দাবি করছে। অথচ সবাই বুঝতে পারছে ওদের কতটা জ্ঞানের ঘাটতি আছে।”
অর্থমন্ত্রী আরও মনে করিয়ে দেন, জিএসটি চালুর ক্ষেত্রে একাধিক আগের সরকারই ব্যর্থ হয়েছিল(Nirmala Sitharaman)। তাঁর কথায়, “ষাটের দশকেই এই দেশ জিএসটি পেতে পারত। প্রণব মুখার্জি বা অন্য নেতারা বহুবার উদ্যোগ নিলেও কোনও সরকারই তা কার্যকর করতে পারেনি, কারণ রাজ্যগুলি ভরসা করেনি।”
দেরির অভিযোগে কড়া জবাব (Nirmala Sitharaman)
বিরোধীদের অভিযোগ, সংস্কার আসতে অনেক দেরি হয়েছে(Nirmala Sitharaman)। এই প্রসঙ্গে সীতারামনের বক্তব্য, “আমাদের আট বা দশ বছর দেরি হয়েছে বললে মেনে নিলাম। কিন্তু প্রশ্ন হল, ৭০ বছরে আপনারা কেন কিছু করতে পারলেন না? মাত্র দু’বছরের মধ্যে আমাদের প্রশ্ন করা অন্যায়।”

আরও পড়ুন : Trump On China Military Show : চিনের সামরিক কুচকাওয়াজ নিয়ে ফের ক্ষোভ উগরে দিলেন ট্রাম্প!
বিরোধীদের পাল্টা সমালোচনা (Nirmala Sitharaman)
অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম এক্স-এ লিখেছেন, “হার কমানো এবং নতুন কাঠামো অবশ্যই স্বাগত। তবে এটা আট বছর আগেই করা উচিত ছিল। আমরা বারবার সতর্ক করেছিলাম যে, বর্তমান কাঠামো ও হার ভুল। অথচ আমাদের কথা শোনা হয়নি।”
নতুন কাঠামোর রূপরেখা(Nirmala Sitharaman)
৫৬তম জিএসটি কাউন্সিল বৈঠকে যে সংস্কার অনুমোদিত হয়েছে, তার মূল দিকগুলো হল—
- ১২ শতাংশ ও ২৮ শতাংশ স্ল্যাব তুলে দেওয়া হয়েছে
- এখন থেকে দুটি মূল হার থাকবে: ৫ শতাংশ ও ১৮ শতাংশ
- বিলাসপণ্য ও ‘পাপপণ্য’-র জন্য থাকবে নতুন ৪০ শতাংশ স্ল্যাব
- তামাকজাত দ্রব্য ও সিগারেটে আপাতত ২৮ শতাংশ হার বহাল থাকবে, সঙ্গে ক্ষতিপূরণ সেস
রাজনৈতিক টানাপড়েন অব্যাহত
সরকার বলছে এই সংস্কার অর্থনীতিকে আরও সহজ করবে এবং ভোক্তাদের খরচ কমাবে। বিরোধীরা দাবি করছে, এটা অনেক দেরিতে এসেছে। ফলে একদিকে সংস্কার নিয়ে আশার সঞ্চার হলেও, রাজনৈতিক ময়দানে সরকার ও বিরোধীদের লড়াই আরও তীব্র আকার নিয়েছে।


