Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
শ্রদ্ধা ভট্টাচার্য্য, কলকাতা: হুগলি জেলার ক্যারাটে দুনিয়ার এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম হল শিহান তারকনাথ সর্দার (Tarak Nath Sardar)। যারা ক্যারাটের দুনিয়ায়র সঙ্গে যুক্ত বা ক্যারাটে ভালোবাসে, তারা তারকনাথ সর্দারকে এক কথায় চেনে। অনেক অভিভাবকরাই নিজেদের সন্তানকে তার ছত্র ছায়ায় ক্যারাটে প্রশিক্ষণে দিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত। এবার তার মুকুটে জুড়ল এক নতুন পালক।
খেলোয়াড় থেকে প্রশিক্ষক (Tarak Nath Sardar)
খেলোয়াড় থেকে প্রশিক্ষক, আর এবার বিচারক হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (Tarak Nath Sardar) পেলেন তিনি। সম্প্রতি চীনের শওগুয়ান শহরে আয়োজিত এশিয়া মহাদেশীয় ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপের আগে হওয়া রেফারি জাজের পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন তারকনাথ।
বাংলার মধ্যে সেরা (Tarak Nath Sardar)
গত ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আগে ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় এশিয়ান ক্যারাটে ফেডারেশনের আনুষ্ঠানিক(Tarak Nath Sardar) রেফারি পরীক্ষা। সেই পরীক্ষাতেই নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিয়ে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করেন তারকনাথ। বাংলা থেকে মোট ৫ জন এবং সমগ্র ভারত থেকে প্রায় ২৯ জন এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তবে উত্তীর্ণ হন মাত্র ১০ জন, আর সেই সফলতার তালিকায় অন্যতম এবং বাংলার মধ্যে সেরা হিসেবে উঠে এসেছেন শিহান তারকনাথ।

খুশির হাওয়া বইছে
২০০৮ সালে হুগলি ক্যারাটে অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। তারপর থেকে অগণিত ছাত্রছাত্রীকে ক্যারাটের পাঠ দিয়ে তুলেছেন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় হিসেবে। তারকনাথের ছাত্রছাত্রীরা ইতিমধ্যেই বহু প্রতিযোগিতায় মেডেল জিতে রাজ্য ও দেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। কোচ হিসেবে তার নিষ্ঠা এবং দক্ষতা বরাবরই প্রশংসিত হয়েছে, আর এবার বিচারক হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্বীকৃতি পাওয়ায় খুশির হাওয়া বইছে তার শিষ্য ও অনুগামীদের মধ্যে।
আরও পড়ুন: Milk Price Drop: কমল দুধ, বাটার, আইসক্রিমের দাম!
৯ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার পর থেকেই শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছেন তারকনাথ। হুগলি জেলাজুড়ে তার এই সফলতার খবর নিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে গর্বের আবেগ। এবার এক নতুন ভূমিকায় তাকে দেখতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত সকলেই।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রমাণ
সাফল্যের পর অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তারকনাথ বলেন, “আমার জীবনে চলার পথে একাধিক শিক্ষকের কাছ থেকে আমি শিক্ষা নিয়েছি। এই জয়ের ক্রেডিট আমি তাদেরই দিতে চাই। ক্যারাটের মত এই এত রুলস-রেগুলেশন বোধ হয় ক্রিকেট-ফুটবলেও নেই। একটা পাঞ্চ বা কিকে ৬ টা ক্রাইটেরিয়া থাকে। সেসব মেন্টেন হলেই পয়েন্ট দেওয়া যায়। আর এই প্রথম নয়, আমি এর আগেও ২০২৩ সালে ও ২০১৯ সালে দেশের বাইরে গিয়েছি। সেখানেও সাফল্য অর্জন করেছি। করুণাময়ের অশেষ কৃপায় বারবার সফলতা ধরা দিয়েছে আমার কাছে।”


