Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এবছর পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন মার্কিন তিন বিজ্ঞানী। জাতিসংস এই বছরকে কোয়ান্টাম বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছে (Nobel Prize)।
ত্রয়ীর নোবেল প্রাপ্তি (Nobel Prize)
এই বছর নোবেল পাচ্ছেন মার্কিন তিন বিজ্ঞানী পদার্থ বিজ্ঞানে। পদার্থ বিজ্ঞানের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ৭ অক্টোবর। অতিপরিবাহী বৈদ্যুতিক সার্কিটে ‘কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং’ দৃষ্টিগ্রাহ্য করা ও শক্তির কোয়ান্টাইজেশনের তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠা করার স্বীকৃতি হিসাবে এই বারের পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেলেন আমেরিকার ত্রয়ী। তিন নোবেল প্রাপক জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ ডেভোরেট ও জন এম মার্টিনিসকে প্রত্যেকেই আমেরিকার ক্যালোফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক (Nobel Prize)।
‘কোয়ান্টাম টানেলিং’ বলতে বোঝায় ধরা যাক একটি বল দেওয়ালে ছুঁড়ে দেওয়া হলো। বলটা দেওয়ালে ধাক্কা খেয়ে ফিরে আসাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কোয়ান্টাম মেকানিক্সের তত্ত্বে সেটা কিন্তু নাও হতে পারে। বরং দেওয়াল ভেদ করে যেতে পারে। আণুবীক্ষণিক স্তরে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ক্ষেত্রে সাধারণ ভাবে যা কোনও কঠিন বস্তুকণা তরঙ্গসম। তরঙ্গ ধর্মকে ভর করে কণাটি শক্তির নিরিখে সক্ষম না হলেও শক্তি-বাধা রুপী দেওয়াল বা ‘এনার্জি ব্যারিয়ার’-কে পার করতে পারে।’
কোয়ান্টাম মেকানিক্সের বিষয়-বস্তু বুঝতে গেলে এতদিন আণুবীক্ষণিক স্টোরে নির্ভর করতে হতো একটি কণার সিস্টেমের উপর। সেই ব্যারিয়ার-কে ভেঙেছেন এই ত্রয়ী। শুধু তাই নয় এই আবিষ্কার ক্রিপ্টোগ্রাফি, কোয়ান্টাম কম্পিউটার ও কোয়ান্টাম সেন্সরের মতো কোয়ান্টাম-নির্ভর প্রযুক্তিকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে দিতে সহায়তা করবে।
নোবেল কমিটির চেয়ারপার্সন ওললে এরিকসসন জানিয়েছেন ‘যেভাবে ক্রমাগত নতুন নতুন চমক আনছে শতাব্দী প্রাচীন কোয়ান্টাম মেকানিক্স সেটা উদযাপন করতে পৰ একটা অসাধারণ ব্যাপার। সমস্ত ডিজিটাল প্রযুক্তির ভিত হলো কোয়ান্টাম মেকানিক্স।’ অর্থাৎ আমাদের চারপাশে কোয়ান্টাম প্রযুক্তির অন্যতম উদাহরণ হিসেবে দেখতে পাই কম্পিউটার মাইক্রোচিপের ট্রানজিস্টারগুলি।
আরও পড়ুন: kali Puja 2025: কেন গৃহস্থের বাড়িতে শ্মশানকালীর পূজা নিষিদ্ধ?
এর আগে সোমবার অর্থাৎ ৬ অক্টোবর চিকিৎসায় নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। চিকিৎসায় নোবেল পেয়েছেন ম্যারি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি। দুই মার্কিন গবেষক ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পেয়েছেন মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য (Nobel Prize)।


