Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পে ফের (Tsunami Warning) তীব্রভাবে কেঁপে উঠল ফিলিপিন্স। শুক্রবার এক প্রবল কম্পনে কেঁপে ওঠে গোটা দ্বীপরাষ্ট্র। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৬, যা একেবারেই ‘শক্তিশালী’ শ্রেণির মধ্যে পড়ে। ভূমিকম্পের পরই আশঙ্কাজনকভাবে জারি করা হয়েছে সুনামির সতর্কতা।
কম্পনের উৎসস্থল (Tsunami Warning)
ফিলিপিন্স ইন্সটিটিউট অব ভলকানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজির (Tsunami Warning) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কম্পনের উৎসস্থল ছিল ফিলিপিন্স সাগরে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ কিমি গভীরে। কম্পনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, দক্ষিণ ফিলিপিন্সের দাভাও শহর ও আশপাশের অঞ্চলগুলিতে জল ফুলে-ফেঁপে ওঠে। শহরের রাস্তাঘাটে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।
ভয়ানক সুনামি (Tsunami Warning)
প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে, ভূমিকম্পের (Tsunami Warning) মূল কেন্দ্র থেকে প্রায় ১৮৬ মাইলের মধ্যে যে কোনও সময় আছড়ে পড়তে পারে ভয়ানক সুনামি। জলের ঢেউয়ের উচ্চতা ৩ মিটার পর্যন্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে দ্রুত ফাঁকা করার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

সুনামির সম্ভাব্য সময়সীমা
সুনামির সম্ভাব্য সময়সীমা হিসাবে ধরা হয়েছে সকাল ৯টা ৪৩ মিনিট থেকে ১১টা ৪৩ মিনিট পর্যন্ত। প্রথম ঢেউ আছড়ে পড়ার পর আরও কয়েক ঘণ্টা ধরে চলতে পারে প্রভাব। শুধু ফিলিপিন্সই নয়, প্রতিবেশী ইন্দোনেশিয়া ও পালাউ দেশেও সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা প্রবল
ভূমিকম্পের জেরে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা প্রবল, বিশেষ করে ফিলিপিন্সের মধ্য ও দক্ষিণ অংশে। এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত হিসেব পাওয়া যায়নি, তবে কম্পনের মাত্রা এবং গভীরতা দেখে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাণহানির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন: Weather Update: ঘূর্ণাবর্তের দাপট কি বৃষ্টি আনবে সঙ্গে?
প্রসঙ্গত, এই বছরেই সেপ্টেম্বর মাসের শেষে ৬.৯ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে কেবু এলাকায়। সেই ঘটনায় ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং আহত হয়েছিলেন শতাধিক মানুষ। তাই এবারকার ভূমিকম্প নিয়েও যথেষ্ট উদ্বেগ রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।


