Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কৃত্রিম উপগ্রহ ইনস্যাটের থ্রি-ডি ইমেজারি রেডার থেকে চোখ সরছে না মৌসম ভবনের আবহবিদদের (Cyclone Mantha Update)। দক্ষিণ–পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি গভীর নিম্নচাপটি রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘মান্থা’-য়। বর্তমানে এটি ঘণ্টায় প্রায় ১৭ কিলোমিটার বেগে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের দিকে এগোচ্ছে।

আজ সন্ধ্যায় ল্যান্ডফল (Cyclone Mantha Update)
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর অন্ধ্রপ্রদেশের কাঁকিনাড়া উপকূলে পূর্ণ শক্তিতে আঘাত হানবে এই ঘূর্ণিঝড়। তখন বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ পৌঁছাতে পারে ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এর ফলে উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলিতে জলস্ফীতি ও গাছপালা উপড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় থেকে তীব্র ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Mantha Update)
আবহবিদদের মতে, ল্যান্ডফলের পর দ্রুত শক্তি হারিয়ে ‘মান্থা’ ঘূর্ণিঝড় থেকে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। প্রথমে এটি অতিক্রম করবে ওডিশা ও ছত্তিসগড়, পরে এর গতিপথ হবে উত্তরপ্রদেশ অভিমুখে। যদিও দুর্বল অবস্থায়, তবুও এটি বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প ও বৃষ্টির সম্ভাবনা বয়ে আনবে।
দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা (Cyclone Mantha Update)
অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা উত্তরবঙ্গেও এই ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে।
- ৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার): দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টি।
- ৩১ অক্টোবর (শুক্রবার): দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে অতি ভারী বৃষ্টির (৭–২০ সেমি) সম্ভাবনা।
এই দিনগুলির জন্য আবহাওয়া দফতর কমলা সতর্কতা জারি করেছে।
উত্তরবঙ্গ, ফের নতুন চিন্তা (Cyclone Mantha Update)
অক্টোবরের শুরুতেই উত্তরবঙ্গে দেখা গিয়েছিল এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যার ক্ষত এখনও সারেনি। সেই অবস্থায় আবারও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা বন্যা, ভূমিধস ও যোগাযোগব্যবস্থার ব্যাঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে। আবহবিদরা জানাচ্ছেন, উত্তরবঙ্গের জেলা প্রশাসনকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: Artificial Intelligence Job: ফ্রেশারদের জন্য কি ফের খুলছে আইটি সংস্থার দরজা?
অক্টোবরের ঘূর্ণিঝড় মানেই আতঙ্ক
গত তিন দশকে অক্টোবর মাসেই বঙ্গোপসাগরে জন্ম নিয়েছে একাধিক প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড়—
- ‘তিতলি’ (২০১৮): ৮৫ জনের মৃত্যু
- ‘ফিলিন’ (২০১৩): ৪৬ জনের মৃত্যু
- সুপার সাইক্লোন (১৯৯৮): অন্তত ১০,০০০ প্রাণহানি



